যুদ্ধ যত দ্রুত শেষ হবে, ততই মঙ্গল: পুতিন

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, তার দেশ আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেনের যুদ্ধের দ্রুত অবসান চায়। কিন্তু পুতিনের অভিযোগ, কিয়েভ ও ওয়াশিংটন এ আহবানে সাড়া দিচ্ছে না। বরং রাশিয়াকে দুর্বল করতে ইউক্রেনকে যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) পুতিন সাংবাদিকদের বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য এই সংঘাতের অবসান ঘটানো। এ জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা নিশ্চিত করতে চাই, এই যুদ্ধটি সম্পূর্ণভাবে শেষ হয় এবং যত তাড়াতাড়ি হবে ততো ভালো হয়। যেভাবেই হোক, আলোচনার মাধ্যমে সব দ্বন্দ্বের সমাধান করা উচিত। আমাদের প্রতিপক্ষরা যত তাড়াতাড়ি এটা বুঝতে পারবে, ততই ভালো।'

কিন্তু পুতিনের অভিযোগ, কিয়েভ ও ওয়াশিংটন এ আহবানে সাড়া দিচ্ছে না।

মস্কোর সামরিক প্রধান জানিয়েছেন, রুশ বাহিনী এখন পূর্ব দোনেৎস্কের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চাইছে। সেখানকার বাখমুত শহর এখন লড়াইয়ের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মস্কোর কর্মকর্তারা বারবারই জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তারা। তবে কূটনৈতিক আলোচনার অচলাবস্থার জন্য তারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে দায়ী করেছেন। কারণ জেলেনস্কি বলেছেন, পুতিন ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তিনি আলোচনায় অংশ নেবেন না।

মস্কোর সামরিক প্রধান জানিয়েছেন, রুশ বাহিনী এখন পূর্ব দোনেৎস্কের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চাইছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহাসিক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণে জেলেনস্কি জানিয়েছেন, যুদ্ধে তার দেশকে সাহায্য করার অর্থ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিনিয়োগ করা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনকে ১৮০ কোটি ডলারের সামরিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই সহায়তায় প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনকে ১৮০ কোটি ডলারের সামরিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

পুতিন হুঁশিয়ার দিয়ে বলেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সংঘর্ষের আরও বৃদ্ধি ঘটাতে পারে।