সংবাদপত্রের পৃষ্ঠাসজ্জা বিভাগে মো. বখতিয়ার হোসেন (৫৫) কাজ করছেন প্রায় দুই যুগ ধরে। তার হৃদ্যন্ত্রে দুটি ব্লক রয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুসারে দ্রুত স্ট্যান্ট বা রিং পরাতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন তিন লাখ টাকা। কিন্তু অর্থাভাবে হৃদ্রোগের চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি।
২০১৯ সাল থেকে দৈনিক ‘সময়ের আলো’ পত্রিকায় গ্রাফিকস ডিজাইন বিভাগে কাজ করছেন মো. বখতিয়ার। তার বাড়ি শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায়। স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে ঢাকার মুগদার মান্ডা এলাকায় থাকেন তিনি।
বখতিয়ারের দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও দৈনিক সময়ের আলোর পৃষ্ঠাসজ্জা বিভাগের প্রধান শাহ আলম জানান, ‘২০১৯ সালে একদিন অফিসে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করাই। কয়েক দিন পর সুস্থ হয়ে তিনি আবার কাজে যোগ দেন।’
বখতিয়ার হোসেন তার পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
তাঁর স্ত্রী খাদিজা আক্তার জানান, হাসপাতাল থেকে ফেরার পর বছরখানেক সুস্থ ছিলেন। এর পর থেকে তাঁর বুকে ব্যথা হচ্ছিল। গত ৯ নভেম্বর বুকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক সমীর কুমার কুণ্ডুর তত্ত্বাবধানে ভর্তি করা হয় তাঁকে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর হৃদ্যন্ত্রে দুটি ব্লক ধরা পড়ে। একটির ৯৮ শতাংশ ও আরেকটির ৯৯ শতাংশ ব্লক রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব স্ট্যান্ট বা রিং পরাতে বলেন চিকিৎসকেরা। এ জন্য তিন লাখ টাকার প্রয়োজন।
বখতিয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি একজন নিম্ন আয়ের সংবাদমাধ্যমকর্মী। আমার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের আর্থিক সহযোগিতা কামনা করছি।’
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: মো. বখতিয়ার হোসেন, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর: ০১০০২৩৯১৪৩৩৪৭, জনতা ব্যাংক, মুগদা শাখা, ঢাকা। এ ছাড়া ০১৭৩৯৫২৬২০৪ নম্বরে বিকাশ করা যাবে।