মৌলভীবাজারের জুড়ীতে পর্নোগ্রাফি মামলায় আবদুস সালামকে (৪২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আবদুস সালাম উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের পূর্ববটুলি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে সালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস সালামের সঙ্গে এক নারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। গত বছরের মে মাসে ওই নারীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয়ে যায়। এদিকে বিয়ের পর সালাম ওই নারীর নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একাধিক ভুয়া আইডি তৈরি করে তাতে তার আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেন।
এ ব্যাপারে ওই নারীর ভাই বাদী হয়ে আবদুস সালামের বিরুদ্ধে গত ২২ মে মৌলভীবাজারের আদালতে মামলার আবেদন করেন। পরে আদালত আবেদনটি মামলা হিসেবে রেকর্ডের জন্য জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। এরপর থানায় এ ব্যাপারে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়। মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ৬ নভেম্বর পুলিশ এ মামলায় সালামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সম্প্রতি আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
গ্রেফতারের ঘটনা নিশ্চিত করে জুড়ী থানার ওসি মোশাররফ হোসেন বলেন, তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিলো। আজ (বুধবার) দুপুরে তাকে মৌলভীবাজারের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ফুলতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম বলেন, মামলায় আদালত কর্তৃক এখনও তার দোষ প্রমাণ হয়নি। তাই আপাতত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। এর পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না আমরা খতিয়ে দেখছি। আদালত কর্তৃক বিচারে দোষী সাব্যস্থ হলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।