‘বাংলাদেশের প্রাচীন জেলা পাবনার মেয়ে সুচিত্রা সেন ভারতীয়দের কাছে গৌরব, গর্ব ও অহংকারের। শুধু এপার-ওপার বাংলায় নয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যার যশখ্যাতি ছিলো আকাশতুল্য।’
কিংবদন্তি মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের নবম মহাপ্রয়াণ দিবসের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় দূতাবাস রাজশাহীস্থ সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার এ মন্তব্য করেন।
সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বসতভিটা পাবনা শহরের গোপালপুর হেমসাগর লেনে মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভার সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি ডা. রাম দুলাল ভৌমিক। আসাদ বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডক্টর নরেশ মধু।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার বলেন, ‘সব ধর্মের মানুষের সমন্বিত দেশ হলো বাংলাদেশ। পাবনার জমিনে মহানায়িকার জন্মে আমরা ভারতীয়রা গর্বিত। এই মাটিতে জন্ম নিয়েছেন শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুক‚ লচন্দ্রসহ অনেক নামিদামি নারী পুরুষ। এই দেশের মেয়ে আমার দেশের মুখ আলোকিত করেছেন, দেশকে খ্যাতি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। এমন মহীয়সী নারী যিনি খ্যাতি ছেড়ে, ফ্লিম ছেড়ে স্বেচ্ছায় নির্বাসন নেন। এ থেকে শিক্ষা নিতে হবে তিনি কত বড় মাপের মানুষ ছিলেন।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভারতীয় হাই কমিশনার কার্যালয় রাজশাহীর দ্বিতীয় সচিব দীপক কুমার কাউলা, পাবনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আ স ম আব্দুর রহিম পাকন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহিম লাল, পাবনা পৌরসভার মেয়র শরীফ উদ্দিন প্রধান, পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ বি এম ফজলুর রহমান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
পরে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা ও পৈতৃক বসতভিটা ঘুরে ঘুরে দেখে পরিদর্শন বহিতে স্বাক্ষর করেন। এরপর তিনি পাবনা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে উপস্থিত হয়ে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। শেষে শহরের হেমায়েতপুর শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম পরিদর্শন করেন।