জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বলেছেন, বাংলাদেশকে ধূমপান ও মাদকমুক্ত করতে হলে বিদ্যমান আইনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে ধূমপান ও মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তার এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তৃণমূল থেকে শুরু সকল স্তরে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সবাইকে একযোগে কাজ করে যেতে হবে।
মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরস্থ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে উন্নয়ন সমন্বয়ের উদ্যোগে আয়োজিত 'তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও সমসাময়িক ভাবনা' শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশকে ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করতে হলে ধূমপান ও মাদকমুক্ত, সুস্থ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশে ধূমপায়ী বনাম অধূমপায়ীদের একটি যুদ্ধ চলছে। ধূমপায়ীদের বিরুদ্ধে অধূমপায়ীরা অনেক পরে জাগরণ সৃষ্টি করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লড়াইয়ে মানুষ ধীরে ধীরে সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ যুদ্ধে জয়ী হওয়ার মাধ্যমেই বৈশ্বিক পেক্ষাপটে কাঙ্ক্ষিত ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা নেওয়া সম্ভব।
শামসুল হক টুকু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধূমপায়ীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। গন্তব্যস্থান নির্ধারণ করে দিয়েছেন, আমাদেরকে ২০৪১ সালের মাঝে দেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত, ধূমপানমুক্ত ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ করতেই হবে।
তিনি আরও বলেন, একটা সময় মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশ কল্পনা করতে পারেনি, বর্তমানে তা বাস্তব। এখন স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ডেল্টা প্রকল্প উপস্থাপন করেছেন, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। আশা করি ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা তামাকমুক্তও হতে পারবো।
সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উন্নয়ন সমন্বয়ের সভাপতি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ, মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান, প্রাণ গোপাল দত্ত ও শামসুন নাহারসহ অনেকেই সভায় অংশ নেন।