স্পোর্টস রিপোর্টার, টনটন (ইংল্যান্ড) থেকে
দিনশেষে সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের অতিমানবীয় ব্যাটিংয়ে বাকি সবাই ছায়ায় ঢাকা পড়ে গেছেন। নইলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অতি আক্রমণাত্মক জায়গা থেকে ৩২১ রানে আটকে রাখার জন্য মুস্তাফিজুর রহমানও কিছুটা ধন্যবাদ পেতে পারতেন।
মুস্তাফিজুরের মুখ থেকে কথা বের করা কতটা কঠিন সেটা সবারই জানা। খুবই কম কথায় উত্তর দেন তিনি। তার রসবোধ ভালো। ভালো লাগলে রসিকতা করেন। আবার কথা পছন্দ না হলে নিরব থাকেন।
সোমবার টনটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের পরও হলো তাই। সাংবাদিকরা জানতে চাইলেন ক্যারিবিয়ান বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান আন্দ্রে রাসেলকে আউট করার অনুভূতি। একই ওভারে হেটমায়ারকেও আউট করেছিলেন মোস্তাফিজুর। অধিনায়ক ওই ওভারে তার হাতে বল তুলে দেওয়ার পর কেমন লাগছিল মোস্তাফিজুরের। উত্তরে রসিকতা করে এই পেসার বলেন, ‘ঐ সময়তো সবাই পিটানো শুরু করছিলো। আমারে বল করতে দিয়েছে আমি চেষ্টা করছি। রাসেলরে শুধু আজকেই না, আগেও আমি অনেকবার আউট করছি। ও আমারে দেখলে একটু লজ্জাও পায়। সেজন্য আমি ঐটা কাজে লাগাতে পারছি।’
উইকেট যখন পান না বা যখন একটু মার খান, লোকজন নানা কথা বলা শুরু করে, তখন কেমন লাগে। এবারও সরল উত্তর মোস্তাফিজের, ‘কে কি বললো সেটা দেখার দরকার নাই। আমি নিজে ঠিক থাকলেই হইলো।’
ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা ম্যাচের পর এরকম একটা জয় খুব প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশ টিমের জন্য কি বলেন। মোস্তাফিজের সংক্ষিপ্ত উত্তর, ‘সব ম্যাচেইতো জেতার দরকার।’
বাংলাদেশ ভালো খেললে সেমিফাইনালে যেতে পারে বলে এখনো মনে করেন মুস্তাফিজ। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই জয়ের রহস্য বলতে গিয়ে বললেন, দলে ব্যাটসম্যান বেশি থাকায় তাদের সুবিধা হয়েছে, ‘উইকেট ভালো ছিল। তাছাড়া টিমে আমি বাদে আর সবাই ব্যাটিং ভালো।’