আওয়ামী লীগ নেতার অপহূত ছেলের লাশ উদ্ধার

বাগেরহাটে অপহরণের দুদিন পর আওয়ামী লীগ নেতার ছেলেকে হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে চিতলমারী উপজেলা। ছয় বছর বয়সী খালিদ শিকদারের মরদেহ সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার চৌদ্দহাজারী গ্রামের একটি মাছের খামার থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়ক ও সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দাউদুল ইসলাম লিন্টু খান (৫৬) গুরুতর আহত হন। লিন্টু খানকে প্রথমে চিতলমারী হাসপাতালে ভর্তির পর তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।  এছাড়া ভাংচুর ও লুটপাট করা করেছে আসামী পক্ষের ১০টি বসত-বাড়ি। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার লাশের ময়নাতদন্তের পর বিকালে জানাজা শেষে পিতা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চিতলমারী সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজের উপাধ্যক্ষ কাওসার তালুকদারের গ্রামের বাড়ির পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

গত ১৫ জুন বিকেলে বাড়ির পাশে ঈদগাহ মাঠে খেলাধুলা করে ফেরার পথে শিশু খালিদকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করাসহ আসামী পক্ষের লোকজনের ১০টি বসতবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

চিতলমারী থানার পরিদর্শক (ওসি) অনুকুল সরকার জানান, রবিবার খালিদের পিতা কাওছার তালুকদার বাদি হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামী করে থানায় করা অপহরণ মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে। গতকাল পুলিশ বাদশা তালুকদার, কামরুল শেখ এবং মেরি বেগম নামে ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে। অন্য আসামিদের আটকে অভিযান চলছে।