গাংনীর ষোলটাকায় ৩০ পরিবার পানিবন্দি

গাংনীর ষোলটাকা গ্রামে অপরিকল্পিত মাছের খাবার তৈরির কারখানা গড়ে তোলায় ৩০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে ওই গ্রামের হাজার বিঘা পুকুরের মাছ ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন মাছ চাষিরা। ষোলটাকা গ্রামের আজিজুল হক বলেন, এই গ্রাম মাছ চাষের জন্য বিখ্যাত। এখানে হাজার হাজার বিঘা জমিতে মাছ চাষ হয়। আর মাছ চাষ করতে পুকুরের পানি পরিবর্তন করতে হয়। পানি পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখতে এক পুকুরের পানি অন্য পুকুরে দিতে হয়। পানি নিষ্কাশন করে বেরও করে দিতে হয়। কিন্তু স্থানীয় আরিফুলের ওই মাছের খাবার তৈরির কারখানার কারণে আমাদের পুকুরের পানি বের করতে পারছি না। এতে মাছের উত্পাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি আগামী বর্ষা মৌসুমে হাজার বিঘা পুকুরের পানি উপচে মাছ ভেসে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এতে মাছ চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ষোলটাকা গ্রামের মেম্বার ময়নাল হোসেন বলেন, এই গ্রামের মধ্যে কিভাবে কারখানা গড়ে উঠলো জানি না। তবে মানুষ পানিবন্দি হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ পাল বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে কারখানার মালিক আরিফুল ইসলাম বলেন, কারো যেন কোনো ক্ষতি না হয় তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে জনবসতিতে এই কারখানা করার অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে সদুত্তর দিতে পারেননি।