মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট ১১৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রীর ছোট ভাই ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. ওবাইদুর রহমান কালু খান আনারস মার্কায় ৬১ হাজার ৭০৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে (নৌকা মার্কায়) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৬৪ ভোট। অপরদিকে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনিরুল ইসলাম ভুইয়া তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৮৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বই প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ৩০৯ ভোট।
অন্যদিকে, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে মোসা. নারগিস আক্তার কলস প্রতীকে পান ৬৭ হাজার ১৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পারভীন জাহান হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৭১১ ভোট। নির্বাচনের রির্টানিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আজহারুল ইসলাম সকল কেন্দ্রের ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে রাত ১১টার দিকে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন।
আরো পড়ুন: পাকিস্তান দলকে নিষিদ্ধ করতে আদালতে রিট
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ১১৫টি কেন্দ্রের ৬৪৮টি কক্ষে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৫১৫ জন ভোটার রয়েছে। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৫ জন ও নারীর ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ১৬০ জন। তাদের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ হয়েছে শতকরা ৪২ ভাগ। এদিকে, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্রগুলোতে বাড়তে থাকে ভোটারদের উপস্থিতি। নিবিঘ্নে ভোট দিতে পেরে খুশি ভোটাররা। আর ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে এসআই ও ৫ জন পুলিশ, ১০ জন আনসার মোতায়ন করা হয়েছিল।
এছাড়া ৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ৫ প্লাটুন বিজিবিসহ ১১০০ পুলিশ ও র্যাব মাঠে কাজ সার্বক্ষণিক কাজ করেছে। পাশাপাশি ৩টি কেন্দ্রের জন্য একটি মোবাইল টিম ও ১০টি কেন্দ্রের জন্য একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স ছিল। এদিকে, মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার।
ইত্তেফাক/এমআই