‘আহত নিবিড়ের পাশে থাকুন’

কানাডার টরন্টোতে সড়ক দুর্ঘটনা গুরুতর আহত নিবিড় এখন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন বাবা সংগীত শিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ। এবার নিবিড়ের চাচা অভিজিৎ দে'ও তার ফেইসবুক একাউন্টে অনুরূপ একটি আবেদন জানিয়েছেন। 

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, জীবনের এই ভয়ঙ্কর মুহূর্তে আমাদের পরিবারের সঙ্গে কী ঘটছে তা নিয়ে আজ আমার বিশ্বের সঙ্গে কিছু কথা বলার আছে। আমাদের নিবিড় একটি নৃশংস দুর্ঘটনার পর টরন্টোর সেন্ট মাইকেল হাসপাতালে জীবনের সঙ্গে লড়াই করছে এবং সে তার তিন জন সেরা বন্ধুকে হারিয়েছে।  

দুর্ঘটনার পর নিবিড়ের বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যা খবর এবং মিথ্যা অভিযোগ রয়েছে, যা আমাদের হতবাক করেছে। আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি যে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির নিবন্ধন এবং যানবাহন বীমা সম্পর্কিত। এ নিয়ে আজ (স্থানীয় সময় বুধবার) আমরা ওপিপি অফিসার (অন্টারিও প্রাদেশিক পুলিশ কর্মকর্তা) মার্কের সঙ্গে একটি মিটিং করেছি, তিনি স্পষ্ট করেছিলেন যে নিবির লাইসেন্স, নিবন্ধন এবং বীমা রাস্তায় থাকা বৈধ।

নিবিড়ের ড্রাইভিং লাইসেন্সের কাগজপত্র। ছবি: ইত্তেফাক

একই সঙ্গে নিবিড়ের ড্রাইভিং লাইসেন্সের কাগজপত্রের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন চাচা অভিজিৎ দে।

তিনি লেখেন, সবাই কেন চলমান তদন্তে মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছেন। আমি বুঝতে পারি যে বাংলাদেশের মিডিয়া এবং জনগণ কানাডার নিয়ম ও কানুন সম্পর্কে জানে না। তবে যারা কানাডায় বসবাস করছেন, তাদের সকলের জানা উচিত যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কাউকে রাস্তায় চলতে দেওয়া যায় না। তাই অনুগ্রহ, অন্টারিও প্রাদেশিক পুলিশ চলমান তদন্তে কোনো রায় দেওয়া না পর্যন্ত বিভ্রান্ত করার পরিবর্তে এই ভয়ঙ্কর মুহূর্তে আমাদের পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্য আমি আপনাদের সকলকে অনুরোধ করছি।

গুজব বা বিভ্রান্ত না ছড়ানোর অনুরোধ করে অভিজিৎ দে বলেন, এ ভয়াবহ দুঃসময়ে আপনারা যারা পাশে আছেন সমবেদনা জানাচ্ছেন তারা চিরকাল আমার হৃদয়ে থাকবেন। আপনাদের নিবিড়ের জন্য আপনারা প্রার্থনা করবেন। 

একদিন আগে ছেলের সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে কুমার বিশ্বজিৎ লিখেছেন, ‘নিবিড় এখনো আইসিইউতে শয্যাশায়ী। এই আকস্মিক ঘটনায় আমি মানসিকভাবে ভীষণ বিপর্যস্ত। আমি আমার সকল বন্ধু, পরিচিতজন এবং ভক্তদের কাছে নিবিড়ের জন্য দোয়া/আশীর্বাদ কামনা করছি। আর যারা ইতোমধ্যে নিবিড়ের সুস্থতা কামনা এবং আমার পরিবারের এ দুঃসহ অবস্থা কাটিয়ে উঠার জন্য দোয়া/আশীর্বাদ করেছেন ও করছেন তাদের কাছে আমি চিরঋণী।’