বিরামপুর পৌর এলাকায় ওএমএস চাল বিতরণে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। প্রতিদিন ভোর থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাল না পেয়ে খালি ব্যাগ নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতারা। ডিলাররা বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ কম, বরাদ্দ বাড়ানো হলে আরো অধিক সংখ্যক মানুষ স্বল্প মূল্যে চাল কেনার সুবিধা পাবে।
সরজমিনে দেখা গেছে, পৌর এলাকার ওএমএসের (খোলা বাজারে বিক্রি) ডিলারদের সামনে চাল ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। বিরামপুর ঢাকা মোড়ে চাল কিনতে আসা গরুহাটির শিরিনা বেগম বলেন, তিনি ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। লাইনে থাকা আরো অনেকে বলেন, তারাও চাল কেনার জন্য ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। শহরের তিনটি ডিলারের দোকানের সামনে একই চিত্র দেখা গেছে।
ওএমএস ডিলার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রতিদিন ১ মেট্রিক টন করে চাল ৩০ টাকা কেজি দরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়। চালের বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হলে আরো অধিক সংখ্যক মানুষ স্বল্প মূল্যের চাল কেনার সুবিধা পাবে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গোলাম মওলা বলেন, বিরামপুর পৌর শহরে তিনটি ডিলারের মাধ্যমে ডিলারপ্রতি প্রতিদিন এক টন করে চাল খোলা বাজারে বিক্রির জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। মার্চ মাস থেকে চালের পাশাপাশি খোলা বাজারে গমের আটা বিক্রি শুরু হবে।
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিমল কুমার সরকার বলেন, খোলা বাজারে চাল বিক্রিতে ক্রেতাদের ব্যাপক চাহিদার বিষয়টি তিনিও অবগত হয়েছেন। ক্রেতারা যাতে চাহিদা মতো চাল-আটা কিনতে পারেন সেজন্য ডিলারদের বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।