সাভারে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ: বাসের চাপায় পথচারীর মৃত্যু

সাভারে আশুলিয়ায় প্রতিবেশীর সহযোগিতায় ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত সহযোগী রাবেয়া বেগমকে (৩০) আটক করলেও পলাতক রয়েছেন ধর্ষণ জামশেদ। অপরদিকে, এলাকার প্রভাবশালীদের মানা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভিকটিমের মা। পরে পুলিশ সহযোগী ওই নারীকে আটক করে। 

সোমবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার ধনাইদ এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আটক রাবেয়া বেগম গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার নাটেরহাট গ্রামের মো. সিদ্দিকের স্ত্রী। ধর্ষক জামশেদ হোসেন একই জেলার ভাঙাবুনিয়া গ্রামের মো. আব্দুল হান্নানের ছেলে। তারা দুজনেই আশুলিয়ায় ভাড়া বাসা থেকে তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন।
 
শিশুটির মা জানায়, প্রতিবেশী রাবেয়া তার মেয়েকে ঘর থেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায়। পরে আরেক প্রতিবেশী জামশেদের ঘরে নিয়ে তরকারি কেটে দিতে বলে। এ সময় আমার মেয়ে ঘরের ভিতরে যেতে না চাইলে তাকে জোর করে ঘরে ঢুকতে বাধ্য করে রাবেয়া। পরে মেয়েকে ঘরে রেখে চলে গেলে জামশেদ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনা এলাকার প্রভাবশালীরা পুলিশকে জানাতে নিষেধ করে এবং ভয় দেখায়।
  
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ রিজাউল হক দিপু বলেন, মামলা দায়েরের পর ধর্ষণে সহায়তাকারী এক নারীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পাশাপাশি অভিযুক্ত জামশেদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অপরদিকে, সাভারে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ইসতিয়াক হোসেন (৩৬) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার সালেহপুর ব্রিজের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইসতিয়াক হোসেন মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানাধীন দীঘা গ্রামের তোরাব হোসেনের ছেলে।

আরও পড়ুন: হোম ইকোনমিক্সের ছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, যুবক গ্রেফতার

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে রাজধানীর গাবতলী থেকে ছেড়ে আসা আরিচাগামী বেপরোয়া গতির ভিলেজ লাইন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে পথচারী ইসতিয়াককে চাপা দেয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাস আটক করা গেলেও পালিয়েছে চালক ও সহযোগী। 

সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। 

ইত্তেফাক/অনি