এইচআইভি পরীক্ষায় লজ্জার কিছু নাই। এলক্ষ্যে এইচআইভি এইডস প্রতিরোধ ও জনসচেতনতায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
শনিবার বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যালি শেষে আয়োজিত এক সেমিনারে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এইচআইভি সনাক্ত হলে সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি সবক্ষেত্রেই প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
উপাচার্য বলেন, চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৬ জন রোগী এআরভি নিয়েছেন। তাদের সব পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এই সেবাও অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, ২০১৩ থেকে বিএসএমএমইউয়ের অবস্ এন্ড গাইনি বিভাগের মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে প্রথমবারের মতো এইচআইভি আক্রান্ত গর্ভবতী মায়েদের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এই সেবার অধীনে মোট ৫৮ জন গর্ভবতী মা সুস্থ সন্তান প্রসব করেছে।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বিনামূল্যে এআরভি প্রদান ও সব রোগের যথাযথ চিকিৎসা সেবার পথ উন্মুক্ত হয়েছে।এ বিশ্ববিদ্যালয় হতে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী এআরভি নিচ্ছেন। এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বিএসএমএমইউ।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে ‘এইচআইভি পরীক্ষা করুন; নিজেকে জানুন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে উপাচাযের নেতৃত্বে একটি জনসচেতনতামূলক র্যালি বের হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে সি ব্লকের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বাসস
ইত্তেফাক/কেকে