কানাডায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বীর শহীদদের ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কানাডা প্রবাসী আওয়ামী লীগ সংগঠন।
অন্টারিও আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়জুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জামালপুর ৫ আসনের সংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাফফর হোসেন। বিশেষ অতিথি মিসেস রহিমা হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক লিটন মাসুদ ।
বক্তারা শতাব্দীর মহানায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক, বাংলাদেশের জন্য তার ত্যাগ, ব্যক্তিগত, মানবিক গুণাবলী, কূটনৈতিক সম্পর্ক, বলিষ্ঠ সাহসিকতার, পররাষ্ট্রনীতি এবং মানুষের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসার দিকগুলো তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথি মো. মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এই দেশ ও জাতির জন্য বড় প্রাপ্তি। এই মহান নেতার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাঙালি জাতি নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। তার জন্ম না হলে কখনোই এ দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হতো না। বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন। বঙ্গবন্ধুর চিন্তায় কখনও আসেনি যে বাঙালিরা ষড়যন্ত্র করে তাকে হত্যা করতে পারে। যে বাঙালিকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবেসেছেন সেই বাঙালিরাই তাকে হত্যা করেছে।
শুধু জাতির পিতা নয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব থেকে শুরু করে ছোট্ট রাসেল পর্যন্ত তার পরিবারের ২০ জন সদস্যকে হত্যা করে ঘাতকরা। এমনকি পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে সংসদকে কলঙ্কিত করে ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল এবং খুনিদের দূতাবাসে পদায়ন করে পুরস্কৃত করা হয়েছে যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার করেছে, অনেক এখনও দেশের বাইরে রয়েছে। আমি দাবি করব, এসব খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করা হোক। কানাডা সরকারের কাছে অনুরোধ করবো তাকে যেনো ফিরিয়ে দেয়।’
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন স্বনামধন্য আবৃত্তিকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য আহমেদ হোসেন, বৃহত্তম ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশিষ নন্দী, ফারুক আহমেদ, ড. মোমেন, কৃষিবিদ ড. নজরুল ইসলাম, কৃষিবিদ গোলাম কিবরিয়া, প্রনোবেশ পোদ্দার, হাফিজুর রহমান, কমাল হোসেন, অনোয়ারুল কামাল, অন্টারিও আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নওশের আলী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হাসমত আরা জুই, দপ্তর সম্পাদক খালেদ শামীম, নির্বাহী সদস্য রফিকুল আলম, এস বি আব্দুল হামিদ, রিয়াজুল হক, যুব সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, উপ দপ্তর সম্পাদক শাকিল আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইসলাম টিপু, কানাডা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ আহমেদ মুক্তা, দপ্তর সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শেখ জসিম উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. হুমায়ূন কবির, সহসভাপতি ড. এ এম তোহা।
কানাডা ছাত্রলীগের সভাপতি ওবায়দুর রহমান, তাওহীদ খান আশিক, তৌহিদুর রহমান দুর্জয়, সাকিব, মো. সোহাগ হোসেন, রিশাদ,ইশতিয়াক,শেখ তামিম,জিহাদ,ফাহাদ স্বেচ্ছাসেবক লীগের তাজুল ইসলাম ,তাসমীন শাওন, মনিরুল ইসলাম তারেক, সিদ্ধার্থ সাহা, রিনিঝিনি, ইমরুল কায়েস।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ফরহাদ আলী, আব্দুর রহিম, বাকী বিল্লাহ, মোহাম্মদ ইসলাম, আব্দুস ছালাম খন্দকার, শাহিন, সায়মা খন্দকার, জিনাত হোসেন, মেহেরিন খন্দকারসহ আরও অনেকে।