সাংবাদিক রোজিনার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২১ মে

সরকারি নথি চুরির চেষ্টার অভিযোগে অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে করা মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২১ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) এ মামলায় অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। এ দিন মামলার তদন্ত সংস্থা পিবিআইকে প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে, ২৩ জানুয়ারি বাদী শিব্বির আহমেদ ওসমানী গোয়েন্দা পুলিশের দেওয়া চুড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দাখিল করেন। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন নারাজির আবেদন গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এদিন ধার্য করেন।

১৫ জানুয়ারি বাদীর উপস্থিতিতে রোজিনার অব্যাহতি আবেদনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন বাদীর আইনজীবী নারাজি দেওয়ার জন্য সময়ের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আইনজীবীর দেওয়া সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে, গত বছরের ৪ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে মামলার দায় হতে অব্যাহতির আবেদন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোর্শেদ আলম খান। প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতা পায়নি বলে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন। 

জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ মে দুপুরের পর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঞার কক্ষে রোজিনা ইসলামকে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের একজন উপসচিব তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেখানে তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়। রোজিনা যেসব নথির ছবি তুলেছেন, তার মধ্যে টিকা আমদানি সংক্রান্ত কাগজপত্রও ছিল বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেন।