অলিম্পিক বাছাই খেলতে মিয়ানমারে মেয়েদের ফুটবল দল পাঠানোর জন্য একাধিক সূত্র থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে গিয়েছিল বাফুফে। কিন্তু সরকারি অর্থ পেতে হলে যেসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় তা করার মতো পর্যাপ্ত সময় ছিল না। সময় না দিলে মন্ত্রণালয় কীভাবে অর্থ দেবে। এমন প্রশ্ন উঠাই স্বাভাবিক। মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে চটেছে। বিশেষ করে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগের ওপর চটেছে তার বক্ত্যব নিয়ে।
আবু নাইম সোহাগ বলেছিলেন তারা পিজিটিভ ফিডব্যাক পাননি। গতকাল সোহাগ জানিয়েছেন সরকারের ওপর দোষ চাপানো হয়নি। তিনি বলেন, ‘দল যাবে না সেটা বাফুফের সিদ্ধান্ত। আমরা কোথাও যদি টাকা পাওয়ার আশ্বাস পেতাম, হোক সেটা পরে দেওয়া হবে। কোথাও পাইনি। মন্ত্রণালয়ের ওপর দোষ চাপাইনি। আমরা তো মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেই কাজ করি। মন্ত্রণালয়ের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা আমাদের আছে।’ মিয়ানমারে দল পাঠানোর জন্য ৯২ লাখ টাকার বাজেট দিয়েছিল বাফুফে। সেই বাজেট নিয়ে কথা উঠছে।
বিমান ভাড়ায় সবচেয়ে বেশি খরচ হবে। কারণ থাই এয়ারে গেলে ১৩ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ট্রানজিট ভোগ করতে হবে। সেটি কোচিং স্টাফ মেনে নেয়নি। সোহাগ বললেন, ‘খেলোয়াড়রা যদি সাড়ে ১৩ ঘণ্টা ট্রানজিট ভোগ করে তাহলে কখন রিকভারি করবে আর কখন অনুশীলনে নামবে। এটা কোচদের কথা। আমরা সময় বাঁচাতে সিঙ্গাপুর এয়ার লাইনসের টিকিট নিতে চেয়েছি।’
১০-১২ দিনের ট্যুরে ২২ ফুটবলারকে ২০০ ডলার করে পকেট মানি দেওয়ার বাজেট করা হয়েছে। বিমানবন্দরে যাওয়া আসার জন্য এসি বাসের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। বলতে পারেন জার্সিও মূল্য কেন এত কম। আরো বেশি হওয়া উচিত ছিল। মোজা নিয়ে কথা হয়। কেন ৫০ হাজার টাকা লাগবে। এখানে কি দুই জোড়া মোজা হলে চলবে? একটা সাধারণ মোজা আর খেলার মোজা এক নয়। ৫ জোড়া মোজা লাগবে প্রতি ফুটবলারের।’
সোহাগ বলেন, ‘হিসাবটা নিয়ে বসলে যে কেউ বুঝবেন কোথাও ফাঁক আছে কিনা। আর আমরা যা চাইব সব দিয়ে দেবেন তা তো না। এখানে কাটছাঁট থাকবেই।’