g আব্দুল্লাহ সালেহী
অনার্সের পরীক্ষা শুরু হলে শেষ হতে দুই থেকে আড়াই মাস লাগে। এটা নিয়ে মোটামুটি সবাই বিরক্ত কিন্তু আমি চিন্তা করে দেখলাম লাইফে এটা সেরা সময়। কীভাবে? পরীক্ষার শুরুতে ১১/১২ সাবজেক্ট নিয়ে টেনশন থাকলেও শুরু হলেই তা কমে ১ ভাগে নেমে আসে।
v সাত বা দশ দিনে একটা কোর্স পড়। v বাসায় বসে বসে খাও, ঘুমাও আর পড়। v ফ্রেন্ড সার্কেল আড্ডা দিতে ডাকে না।
v অন্য ডিপার্টমেন্টের ফ্রেন্ডরাও জানে পরীক্ষা তাই তাদেরকে দিয়ে সিম্পিথি স্বরূপ অনেক কাজ করিয়ে নেওয়া যায়।
v কেউ ঘুরে বেড়ানোর ছবি আপলোড দিয়ে জেলাস করতে পারে না। কারণ সবারই পরীক্ষা থাকে।
v ফ্যামেলি থেকে ব্যাচেলরদের জন্য টাকা ডাবল আসে।
v যারা ফ্যামেলিতে থাকে, তাদের কোনো কাজ করতে হয় না বরং এক্সট্রা কেয়ার পায়।
v এলাকার বা লতার উপর পাতার পরিচিত কেউ মেডিক্যালে ভর্তি হলেই বাসা থেকে কল আসে ‘যাও দেখা করে আস’ কিন্তু পরীক্ষার সময় কেউ আইসিইউতে থাকলেও খবর দেয় না, যাতে ছেলের লেখা পড়ায় ক্ষতি না হয়।
v দজ্জাল টিউশন মাস্টারেরাও একমাত্র পরীক্ষা শুনলেই ছাড় দিতে রাজি হয়।
v অবুজ গফ/বফরা পরীক্ষার্থীদের প্যারা থেকে মুক্তি দেয়। উল্টা অনলাইনে দেখলে ঝাড়ি দেয় ‘যাও পড়তে বস’।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।