বিপুল উৎসাহে কানাডায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন

বিপুল উৎসাহে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়েছে কানাডার বিভিন্ন প্রভিন্সসহ বড় বড় শহরে। নতুন বছর উপলক্ষে দেশটির বাণিজ্যিক রাজধানী টরন্টোর বাংলাপাড়া বলে খ্যাত ড্যানফোর্থে বিশাল মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। যা ড্যান্টোনিয়া পার্কের শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে ম্যাট্রো প্লাজায় শেষ হয়। অপরদিকে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর আরেকটি মঙ্গল শোভাযাত্রা ম্যাট্রো প্লাজা থেকে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলা নতুন বছর ১৪৩০-কে বরণ করে নেয় কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা। বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে উদীচী, খেলাঘর, বাচনিকসহ বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে মঙ্গল শোভাযাত্রার পাশাপশি নাচ-গান, কবিতা আবৃত্তি, যাত্রাপালারও আয়োজন করা হয়। 

329994550_581885173890613_6921203883696230742_n

এদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ কানাডা হিন্দু কালচারাল সোসাইটিতে বৈশাখী মেলা ও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সুশীত চৌধুরী ইত্তেফাককে জানান, আমরা এবার বৈশাখি উৎসবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা চালু করলাম।

মন্ট্রিয়ল থেকে সাংবাদিক দেওয়ান মনিরুজ্জামান জানান, পবিত্র রমজান সত্ত্বেও মট্রিয়লেও একাধিক সংগঠন জমজমাট আয়োজনের মধ্যদিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ মন্ট্রিয়ল আগামী ৩০ এপ্রিল (রোববার) দুপুর ১টা থেকে লুসিয়ান পেজ স্কুলে  বৈশাখী মেলার আয়োজন করবে।

উল্লেখ্য, কানাডার বৃটিশ কলম্বিয়া বৈশাখের প্রথম সপ্তাহকে প্রথম 'বাংলা হেরিটেজ উইক' হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এবার এপ্রিলকে প্রিমিয়ার নভা স্কশিয়া এবং মেয়র হ্যালিফেক্স (এপ্রিল ১৪-২০) বাংলা ঐতিহ্য সপ্তাহ হিসাবে ঘোষণা দিয়ে শুভেচ্ছা বাণি দিয়েছে। এদিকে রাজধানী শহর অটোয়া শহরের মেয়র মার্ক সাটক্লিফ এপ্রিল ২০২৩ বাংলা ঐতিহ্যের মাস হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। সেইসঙ্গে বৈশাখি শুভেচ্ছা জানিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বাণী দিয়েছেন।