সুদানে সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২৭০

সুদানে আন্তর্জাতিক স্তরে মধ্যস্থতার পর সাময়িক অস্ত্রবিরতিতে রাজি হয়েছিল দুই পক্ষ। দেশটিতে ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরও সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সংবাদ মাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে,সুদানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি অপারেশন সেন্টারের বরাত দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহত বেড়ে ২৭০ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ২৬০০ জনেরও বেশি।

এর আগে টানা তিন দিন রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল বলে জানায় আলজাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রথমে দেয় আরএসএফ। 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেনের চাপের মুখে সুদানে লড়াইরত সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনীর উভয় পক্ষই অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছিলেন। বলা হয়েছিল,মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে (জিএমটি ১৬:০০) যুদ্ধবিরতি শুরু হবে এবং ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। কিন্তু এর ১২ ঘণ্টার মধ্যেই খার্তুমে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ পুনরায় শুরু হয়।

সুদানে সেনাবাহিনী এবং আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-র মধ্যে সংঘাত এখনও চলছেই।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, এই লড়াই মানবিক বিপর্যয় ছাড়া আর কিছুই নয়।

তবে জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন অস্বীকার করে সিএনএনকে এক বিবৃতিতে আরএসএফ জানিয়েছে, তারা কখনও জাতিসংঘের কোনও কর্মী বা কর্মচারীকে আক্রমণ করেনি বা করবে না। আরএসএফ আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।