২ যুগ পর চেয়ারম্যানের অর্থায়নে বাঁশের সেতু নির্মাণ

নেত্রকোনা পূর্বধলা উপজেলার পাশাপাশি দুটি গ্রাম সানকিডোয়ারী ও দুধী। এই দুই গ্রামকে বিভক্ত করে রেখেছে কালিহর নদী। নদী পারাপারে নৌকা হলো এই দুই গ্রামসহ আশপাশ এলাকার হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। শুষ্ক মৌসুমে কোনো রকম পারাপার হওয়া গেলেও বর্ষায় কষ্টের শেষ থাকে না। 

এলাকাবাসী দুধী এলাকায় একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে গত দুই যুগ ধরে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিয়েও কোনো কাজ হয়নি।

এলাকাবাসীর এ দুর্ভোগ লাঘবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেতু নির্মাণে এগিয়ে এসেছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম সুজন। তিনি সেখানে প্রায় আড়াই লাখের বেশি টাকা ব্যয়ে একটি বাঁশ ও কাঠের সেতু নির্মাণ করেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের দুধী বাজার সংলগ্ন স্থানে ২০০ ফুট দীর্ঘ একটি সেতু তৈরি করা হয়েছে। কাঠের তৈরি এ সেতু দিয়ে তিন চাকার বাহন অনায়াসে যাতায়াত করতে পারছে। কালিহর নদীর ওপর সেতু নির্মিত হওয়ায়এলাকাবাসী খুশি।

বুধবার (১৯ এপ্রিল) এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সেতুটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম সুজন। 

তিনি বলেন, অনেকদিন ধরে নদীর ওপর একটি সেতুর অভাবে এলাকার স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারারণ মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন। স্থানীয় কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কথা বলে সেতু নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহণ করি। আশ করি এ সেতুর মাধ্যমে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিন সুলতানা সুমি আকন্দ, লেখক ও গবেষক

আলী আহাম্মদ খান আইয়োব, পূর্বধলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আরিফুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি জুলফিকার আলী শাহিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ, হাজী মিয়া হোসেন খান, জালাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য মোখলেছুর রহমান খান ভাসানী, পূর্বধলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ হাসানুজ্জামান রাফি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার জাহান রাসেল, যুবলীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন, ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হক মিয়া প্রমুখ।