জার্মানি জানিয়েছে, প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইউক্রেনে পৌঁছে গেছে। ফলে, ইউক্রেন যুদ্ধে অনেকটাই সুবিধা পাবে। জার্মান প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সাহায্যে বহু কিলোমিটার দূরের মিসাইল ট্র্যাক করা যায়। শত্রুর ছোঁড়া মিসাইল ধ্বংস করা যায়।
আবার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে মিসাইল হামলা চালানো যায়। শত্রুর বিমান ও ড্রোন ধ্বংস করা যায়। ইউক্রেন বহুদিন ধরে এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের জন্য আবেদন জানিয়ে রেখেছিল। আমেরিকার তৈরি এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম জার্মানি ব্যবহার করে।
জার্মানি ও আমেরিকা দুই দেশই একটি করে প্যাট্রিয়ট ইউক্রেনকে দেয়া হবে বলে জানিয়েছিল। বুধবার (১৯ এপ্রিল) জার্মানি জানিয়েছে, তাদের প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইউক্রেনের কাছে পৌঁছে গেছে। ইউক্রেনও প্রাপ্তি স্বীকার করেছে।
ইউক্রেনের সরকারের তরফে বিবৃতি দিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে, 'দেশের আকাশ এখন অনেকটাই বিপন্মুক্ত। জার্মান প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম পৌঁছে গেছে।' বস্তুত, এর আগে কীভাবে এই সিস্টেম চালাতে হবে, তার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ইউক্রেনের সেনাকে। জার্মানি নিজের দেশেই এই প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
আমেরিকা ন্যাটোর একটি দেশে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। নেদারল্যান্ডস জানিয়েছে, প্যাট্রিয়টের যন্ত্রাংশ ও মিসাইল দিয়ে ইউক্রেনকে সাহায্য করবে। জার্মানি, আমেরিকা ও নেদারল্যান্ডস তিনটি দেশকেই ধন্যবাদ জানিয়েছে ইউক্রেন। জার্মান চ্যান্সেলর ওলফ শলৎস বুধবার (১৯ এপ্রিল) পর্তুগালের রাজধানীতে পৌঁছেছেন।
সেখানে ওই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে তার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। পর্তুগাল ও জার্মানি একত্রে ইউক্রেনকে আরও সাহায্য দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। বস্তুত, এর আগে লেপার্ড টু ট্যাঙ্ক ইউক্রেনকে দিয়েছিল পর্তুগাল ও জার্মানি। সেই ট্যাঙ্ক যুদ্ধে ইউক্রেনকে যথেষ্ট সাহায্য করছে বলেই বিশেষজ্ঞদের দাবি।
জার্মানি জানিয়েছে, আগামী আরও বেশ কিছুদিন ইউক্রেনকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শেষ দিন পর্যন্ত জার্মানি ইউক্রেনকে সাহায্য করে যাবে।