রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সোনা মিয়া (৫২) নামের আওয়ামী লীগের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এসময় আরও আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুরের পুলিশ সুপার মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য উপজেলার সারাই ইউনিয়নে আসেন। সেখানে কাউনিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম এর পক্ষে স্লোগান দেন দলীয় নেতা কর্মীরা। এতে বাঁধা দেন জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও কাউনিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারীরা। পরে মন্ত্রী সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষ করে চলে আসেন হারাগাছ ইউনিয়নের খানসামা ইমামগঞ্জ হাইস্কুল মাঠে। সেখানে আনোয়ারুল ইসলাম এবং রাজ্জাক গ্রুপের নেতা কর্মীদের সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে হারাগাছ ইউনিয়নের মায়াটারী এলাকার আ. খালেকের ছেলে সোনা মিয়া নামের আওয়ামী লীগের এক কর্মী নিহত হন। এসময় আরো কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন।
রংপুরের পুলিশ সুপার মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী জানান, রংপুর থেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনা স্থলে পৌঁছে লাশের সুরত হাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। নিহত সোনামিয়ার লাশ কাউনিয়া থানায় আনা হচ্ছে। সংঘর্ষের কারণ খতিয়ে দেখে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আগামীকাল মঙ্গলবার রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।