২১ মে থেকে শুরু হচ্ছে হজ ফ্লাইট

চলতি বছর বাংলাদেশি হজযাত্রীদের বহন করে সৌদি আরব নিয়ে যাবে তিনটি এয়ারলাইন্স। ইতোমধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাছে ফ্লাইট শিডিউল জমা দিয়েছে এয়ারলাইন্সগুলো। সেগুলো হলো-বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স (সাউদিয়া) ও সৌদির বেসরকারি এয়ারলাইন্স সংস্থা ফ্লাই নাস। হজ ফ্লাইট নিরবচ্ছিন্ন রাখতে রাজধানীর আশকোনায় হজ অফিসে হজ কন্ট্রোল রুম, হেল্প ডেস্ক চালু করতে নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২৪ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীনের স্বাক্ষর করা  চিঠি হজ অফিসে পাঠানো হয়েছে।

haj-haji

এদিকে আগামী ২১ মে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও ২৫ মে সৌদি এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইট। যাত্রীদের সৌদি পৌঁছাতে মোট ৩৩৫টি ফ্লাইটের শিডিউল ঘোষণা করেছে এয়ারলাইন্সগুলো। বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের হজ চুক্তি অনুযায়ী, হজযাত্রীদের অর্ধেক বাংলাদেশের এয়ারলাইন্স এবং বাকি অর্ধেক সৌদি আরবের এয়ারলাইন্সগুলো বহন করবে।

hajj airport

এ বছর বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৭ হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ১২ হাজার ১৯৮ জনের হজে যাওয়ার কথা রয়েছে।