চাঁদে অবতরণকারী প্রথম বেসরকারি মহাকাশযান

জাপানের একটি বেসরকারি সংস্থা চাঁদে মনুষ্যবিহীন মহাকাশযান পাঠিয়েছে। মহাকাশযানটি মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) রাতে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাদের চন্দ্র মিশনের নাম হাকুটো-আর এম১। এই মিশন সফল হলে এটিই হবে চাঁদের পৃষ্ঠে পা রাখা প্রথম বেসরকারি সংস্থা। ইউরো নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, মহাকাশযানের ল্যান্ডারে একটি দুই চাকার রোবট রয়েছে, যা প্রায় একটি টেনিস বলের আকারের। রোবটটি তৈরি করেছে জাপানি রোবটিক্স কোম্পানি আইস্পেস। একটি রোভারও রয়েছে, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতে তৈরি।

জাপানের একটি বেসরকারি সংস্থা চাঁদে মনুষ্যবিহীন মহাকাশযান পাঠিয়েছে। 

মহাকাশযানের সফল অবতরণের পর এগুলো চাঁদের পৃষ্ঠে মোতায়েন করা হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ৪০ মিনিটে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে জাপানের মনুষ্যবিহীন মহাকাশযানটি। 

এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি দেশ সফলভাবে চাঁদের পৃষ্ঠে মহাকাশযান অবতরণ করতে পেরেছে। এই তিনটি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন। মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের কোম্পানি স্পেসএক্সের তৈরি ফ্যালকন-৯ রকেটে করে মহাকাশযানটি পাঠানো হয়।

এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি দেশ সফলভাবে চাঁদের পৃষ্ঠে মহাকাশযান অবতরণ করতে পেরেছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। চাঁদের উত্তর গোলার্ধে অবতরণের পর হাকুটো-আর দুটি পেলোড বা স্যাটেলাইট স্থাপন করবে। মহাকাশযানের ল্যান্ডারের উচ্চতা ২ মিটার ও ওজন ৩৪০ কেজি।

এটি চাঁদে পাঠানো আগের মহাকাশযানের চেয়ে অনেক ছোট। কিন্তু এতে প্রয়োজনীয় সবকিছুই আছে। এটি তার কক্ষপথে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর থেকে অবতরণ করবে। এ সময় এটি ঘণ্টায় প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার বেগে ঘুরবে।

গত বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

আইস্পেসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাকেশি হাকামাদা জানান, তাদের চন্দ্র অভিযান চাঁদে বাণিজ্যিক মিশনের পথ প্রশস্ত করবে। এটি একটি বড় পরিবর্তন। এটি ভবিষ্যতে অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাগুলো, এমনকি ছোট দেশগুলোর জন্য চন্দ্র মিশন চালু করার আরও সুযোগ তৈরি করবে।