বিভিন্ন স্থানে নারী ও কন্যাশিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মহিলা পরিষদের উদ্বেগ

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নারী ও কন্যাশিশুকে ধর্ষণ, দলবদ্ধ ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

গতকাল রবিবার পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ৭ মে জাতীয় গণমাধ্যমে বেশ কয়েকটি ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার খবর প্রকাশিত হয়। 

গত ৪ মে বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর-সংলগ্ন স্থানে প্রথম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, নওগাঁর বদলগাছী থানাধীন এলাকায় আদিবাসী গ্রামের ছেলে জিয়ল এক বাক্ ও মানসিক প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণ করে। গত ৫ মে শরীয়তপুরের সদর উপজেলার রুদ্রকর গ্রামে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক গার্মেন্টসকর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। একই দিনে টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার বাগাডোবা গ্রামে এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঐ দিন ঝালকাঠি জেলার রাজপুরের বাইপাস মোড়-সংলগ্ন দীঘি এলাকায় ৭ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে খালাবাড়ি যাওয়ার সময় একই এলাকার সাকিব নামের এক ছেলে তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। 

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নারী, কন্যাশিশুদের ধর্ষণ, দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাসমূহ উদ্বেগজনকভাবে ঘটেই চলেছে। ঘরে-বাইরে তারা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, যা নারী ও কন্যার অগ্রগতির পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানায় এবং উপরোল্লিখিত ঘটনাসমূহে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতকরণের দাবি জানায়। সেই সঙ্গে নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজেকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানায়।