মঞ্চ ও টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা নিয়ে দারুণ ব্যস্ত সময় পর করছেন মৌসুমী মৌ। পাশাপাশি টিভি নাটক ও মূকাভিনয়েও বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছেন তিনি। আর এই মূকাভিনয় দিয়েই আবারও মুগ্ধ করলেন সাউথ কোরিয়ার দর্শকদের। বাংলাদেশ দূতাবাসের আমন্ত্রণে গত ৭ মে মুকাভিনয়ে অংশ নেন তিনি। শুধু তাই নয়, এবারের আয়োজনে নাচও পরিবেশন করেন মৌসুমী।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের আমন্ত্রণে মূকাভিনয় ও নাচের সুযোগ পাওয়া আমার জন্য খুবই আনন্দের ছিল। সব মিলিয়ে দারুণ কিছু অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছি।’
জানা গেছে, বাংলা নববর্ষ ১৪৩০ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এই আয়োজনটি এদিন সকাল ১১টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূ দেলওয়ার হোসেন। এরপর কোরাস সংগীত পরিবেশন করে অ্যাম্বাসির কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, এবারের আয়োজনে মৌসুমী ছাড়াও নৃত্যশিল্পী জহুরুল হক সৃজন ও আবু বকর অংশ নেন। এছাড়া কোরিয়া থেকে যুক্ত হয়েছিলেন মূকাভিনয়শিল্পী মীর লোকমান। অনুষ্ঠানে সৃজন ক্লাসিক্যাল ও দেশের গানের সঙ্গে মিক্সড একটি একক নৃত্য পরিবেশন করেন। মৌসুমী মৌ ও সৃজন পরিবেশন করেন ৩টি গানের সমন্বয়ে ডুয়েট নৃত্য। তাদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে বাংলার ১২ মাসে ১৩ পার্বণ, বাংলার কৃষ্টিকালচার। এরপর মঞ্চ মাতান মীর লোকমান। তার একক মূকাভিনয় ‘অতঃপর ভালোবাসা ও ওয়াটার ক্রাইসিস’ দারুণ প্রশংসা কুড়ায়। তবে অনুষ্ঠানের যবনিকা হয় মৌসুমী মৌয়ের একক মূকাভিনয় পরিবেশনা ‘আর নয় আত্মহত্যা’ প্রদর্শনের মাধ্যমে।