আর্থিক অনিয়ম ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় ফিফা দুই বছর নিষিদ্ধ করেছে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগকে। এই শাস্তির ফলে বাফুফের দুর্নীতি উন্মুক্ত হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক। যিনি ব্যারিস্টার সুমন নামেই পরিচিত। সেজন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে ফল না পেয়ে আজ (রবিবার) বাফুফে কর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করেছেন ব্যারিস্টার সুমন।
বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগসহ সংস্থাটির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার সুমন বলেছেন, ‘ফিফা নিয়েছে প্রশাসনিক ব্যবস্থা। কিন্তু এটা ফৌজদারি এক্টিভিটিস। এজন্য অনুসন্ধান চেয়ে রিট করেছি। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে কাল সোমবার রিটটির ওপর শুনানি হতে পারে।’
রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, বাফুফে সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাবেক সাধারণ সম্পাদকসহ অন্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম নিতে অনুসন্ধানে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে ব্যাপারে রুল চাওয়া হয়েছে।
বাফুফের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান চেয়ে গত ৩ মে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেছিলেন ব্যারিস্টার সুমন। ফল না পেয়ে তিনি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।
রিটে ৩ মে দুদকে করা আবেদনকারীর আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে সংস্থাটির (দুদক) চেয়ারম্যানের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়াসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, দুদক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাফুফের সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদককে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।