অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো “বী গ্লোবাল এডুকেশন ফেয়ার দ্যা ওয়ার্ল্ড মিটস হেয়ার”। শনিবার (১৩ মে) সারা বিশ্বের ১০০ টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে রাজধানীর হোটেল সারিনায় বী গ্লোবাল কনসালটেন্সির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আয়োজনে সারাদেশের প্রায় ৬০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করে। নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনার মাধ্যমে আরও বেশি শিক্ষার্থীর বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ফেয়ারটির আয়োজন করা হয়।
ফেয়ারটিতে বিশ্ববিদ্যালয় এবং নানান ইন্সটিটিউশন ছাড়াও শিক্ষার্থীদের জন্য ছিলো ভিসা কনসালটেন্সি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে ইংরেজি ভাষা দক্ষতা অর্জনের পরীক্ষা আইইএলটিএস এবং টোএফএল ও জিআরই কনসালটেন্সি জোন।
বী গ্লোবাল কনসালটেন্সির চেয়ারপার্সন নুসরাত জাহান বলেন, বী গ্লোবাল কনসালটেন্সি সবসময় চেষ্টা করে বিদেশে পড়াশোনাকে আরো সহজ করতে যাতে শিক্ষার্থীদের অপ্রয়োজনীয় ভীতি দূর করার মাধ্যমে তাদের স্বপ্ন পূরণের রাস্তা অনেকটাই সুগম হয়।
আয়োজনটি একদম সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বী গ্লোবাল কনসালটেন্সির চীফ বিজনেস অফিসার, আফসানা রাত্রি মিশু। সফল এই আয়োজনের অনুভূতি ব্যাক্ত করতে গিয়ে রাত্রি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করার কাজ করে যাচ্ছি নিজে শিক্ষার্থী থাকা অবস্থা থেকেই। দেশের চাকরীর বাজার নিয়ে যেমন কাজ করছি, আজ শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন একটি সম্ভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছি।
ফেয়ারে অংশ নিয়েছে ১০০ টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি সহ বিশ্বসেরা কিছু এডুকেশন এক্সপার্ট। বী গ্লোবাল কনসালটেন্সি সবসময়ই উচ্চশিক্ষা নিয়ে সেরা হয়ে কাজ করে যাবে।
বী গ্লোবাল কনসালটেন্সির কাউন্সিলর বিভাগ প্রধান শারমিনা খান এবং প্রতিষ্ঠানটির এসোসিয়েট সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রাফসান বিন রাজ্জাক বলেন, আয়োজনে রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীদের সবাই উচ্চশিক্ষা নিয়ে বেশ আগ্রহী এবং উচ্চশিক্ষা অর্জনে যতটুকু স্কিল থাকা প্রয়োজন প্রায় সবাই তার উপযোগী।
আয়োজনে অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থীদের সকলেই বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। বিদেশে ব্যাচেলর,মাস্টার্স এবং পিইচডি সম্পন্ন করতে ইচ্ছুক অনেক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
আয়োজনে অংশ নেওয়া একজন শিক্ষার্থী বলেন, ব্যাচেলর শেষ করে আমার ইচ্ছে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জনে বিশ্বসেরা কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া। তবে বিদেশে পড়াশোনা করার সুযোগ অর্জন অনেক কঠিন, প্রায় সম্ভব এ ধরনের কিছু তথ্যের ফলে স্বপ্নটা প্রায় নষ্টই হয়ে যাচ্ছিলো। তবে আজকের এডুকেশন ফেয়ারে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বেশ প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য পেয়েছি যার ফলে এই ভীতি অনেকটাই কেটে গিয়েছে।
অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের জন্য আয়োজিত গ্র্যান্ড গালা নাইটের মাধ্যমে ফেয়ারটির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।