কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা হত্যা: দুই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি সুজন মিয়া ও মাজহারুল ইসলাম সৈকতকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার (১৬ মে) ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বহিষ্কৃত সুজন মিয়া কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও মাজহারুল ইসলাম সৈকত দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

নিহত যুবলীগ নেতা জামাল। ছবি: ইত্তেফাক

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠন বিরোধী, শৃঙ্খলা পরিপন্থী, অপরাধমূলক ও সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. সুজন মিয়া ও মাজহারুল ইসলাম সৈকতকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হল। 

জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর পশ্চিম বাজারে তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা জামাল হোসেনকে গুলি করে হত্যা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী পপি আক্তার বাদী হয়ে ২ মে রাতে দাউদকান্দি থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা সুজন মিয়া প্রধান আসামি। হত্যাকাণ্ডের পর দিন তিনি নেপালে পালিয়ে যান। এছাড়া সহায়তা ও অস্ত্র লুকিয়ে রাখার অভিযোগে গত ৯ মে জেলার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার থেকে ছাত্রলীগ নেতা মাজহারুল ইসলাম সৈকতকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবির ওসি রাজেস বড়ুয়া বলেন, সৈকতকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্য মতে চান্দিনা উপজেলা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ৩টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।