ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে প্রথম আনঅফিসিয়াল চার দিনের ম্যাচে ফলোঅনে পড়েছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তবে বৃষ্টির আশীর্বাদে ড্রতে ম্যাচটি শেষ করেছে আফিফ হোসেনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের দলটি।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম আনঅফিসিয়াল চার দিনের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দল দুটি। ম্যাচটির চতুর্থ ও শেষ দিনের খেলা শুরু হয়েছিল দেরিতে। সকালের বৃষ্টি ও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে খেলা শুরু হয় দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে। তারপরও হতে পারতো ৫৪ ওভার। কিন্তু আলোর স্বল্পতায় খেলা হয়েছে ৪৯.১ ওভার। ওই সময় দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৭ ওভারে ১৮৭ রান।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ২৬৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল আফিফরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে ৪২৭ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করায় ফলোঅনে পড়ে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়ে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের সামনে বিলিয়ে আসে উইকেট। তারপরও বৃষ্টি ও আলোর স্বল্পতায় ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা।
তৃতীয় দিনে ফলোঅনে পড়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিল কোনও উইকেট না হারিয়ে ৫ রান। ওই জায়গা থেকে চতুর্থ দিন শুরু করে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। ওপেনার জাকির হাসান রানের খাতা খুলতে পারেননি। তিনে নামা সাইফ হাসান করেন মাত্র ৬ রান। মাহমুদুল হাসান জয় চেষ্টা করলেও ২০ রানের বেশি করতে পারেননি। অধিনায়ক আফিফও ব্যর্থ। মাত্র ৯ রানে আউট হয়ে দলের বিপদ বাড়িয়ে যান তিনি।
টপ অর্ডারের ব্যর্থতার মাঝে আলো ছড়িয়েছেন কেবল সাদমান ইসলাম। এই ওপেনার খেলেন ৬৪ রানের দারুণ এক ইনিংস। ৯ চারে সাজানো তার ইনিংসটির কারণেই এক প্রান্ত অটুট ছিল। বাংলাদেশকে ড্র এনে নেওয়ার নেপথ্যে আছে জাকের আলীর ব্যাটিংও। এই উইকেটকিপার ৩৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। আর শেষ দিকে রিশাদ হোসেন ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের গুডাকেশ মোটি ও জাইর ম্যাকআলিস্টার পেয়েছেন ২টি করে উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: প্রথম ইনিংসে ১২৬.৩ ওভারে ৪২৭/৭ (কির্ক ম্যাকেঞ্জি ৮৬, আলিক আথানাজে ৮৫, ত্যাগীনারায়ণ চন্দরপল ৮৩, জশুয়া দা সিলভা ৭৭; মুশফিক হাসান ৩/৫৪, নাঈম হাসান ২/১১৬)।
বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংসে ৬৭.৪ ওভারে ২৬৪ (সাইফ হাসান ৯৫, জাকের আলী ৬৪*, আফিফ হোসেন ৪৫, জাকির হাসান ৩০; ম্যাকআলিস্টার ৫/৬০, রেমন রেইফার ২/৪৪) ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫১.১ ওভারে ১৮৭/৭ (সাদমান ৬৪, জাকের ৩৬*, জয় ২০; মোটি ২/১৩, ম্যাকআলিস্টার ২/৪৮)।
ফল: ড্র।