হাটহাজারীতে মেয়ে জামাইয়ের চাকুর আঘাতে নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা শ্বশুর আবদুল হাকিম (৬১) নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে দশটার দিকে পৌরসভার মাটিয়া মসজিদ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্মাণ শ্রমিক নিহত আবদুল হাকিম নিজ পরিবার ও মেয়ের জামাইসহ ঐ এলাকায় বাসা ভাড়া করে বসবাস করতেন। একসঙ্গে বসবাস করায় নিহতের পরিবারে প্রায় সময় ঝগড়া-ঝাটি ও মাঝে মধ্যে হাতাহাতি এবং মারধরের ঘটনাও ঘটতো। ঘটনার দিন রবিবার রাতেও শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া করে বাসা থেকে বের হয়ে যায় জামাই সুজন। পরে শ্বশুর বাসা থেকে বের হলে জামাই সুজন শশুরকে ধারালো ছুড়ি দিয়ে আঘাত করে। এতে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়া আবদুল হাকিমকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা ঘাতক মো. সুজনকে (২৪) আটক করে মারধর করে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খুনি সুজন শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার কলাভাংগা ইন্তা মিয়া বাড়ির জামিল উদ্দিনের পুত্র। এ ঘটনায় নিহত আবদুল হাকিমের পুত্র এমদাদুল হক বাদী হয়ে সুজনের বিরুদ্ধে হাটহাজারী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
আরও পড়ুন: ফিটনেস-লাইসেন্স নবায়নহীন গাড়ি ও চালকের তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট
হাটহাজারী মডেল থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, 'নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের পর লাশ পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হবে। আর আটককৃতকে সোমবার দুপুরের দিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।'
ইত্তেফাক/জেডএইচডি