আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার একমাত্র টেস্টে কে ফেভারিট? স্বাগতিক বাংলাদেশ, নাকি সফরকারী আফগানিস্তান? বাংলাদেশ দল টেস্ট খেলছে সেই ২০০০ সাল থেকে। এরই মধ্যে খেলে ফেলেছে ১৩৭টি টেস্ট। বিপরীতে আফগানিস্তান ২০১৮ সালে অভিষেকের পর গত পাঁচ বছরে মাত্র ৬টি টেস্ট খেলেছে। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ নয় বলে আফগানরা টেস্ট খেলার সুযোগই তেমন পাচ্ছে না। এই অভিজ্ঞতার বিচারে বাংলাদেশই ফেভারিট। তাছাড়া বাংলাদেশ টেস্টটাও খেলছে নিজেদের ঘরের মাঠে। কাজেই ফেভারিটের তকমাটা বাংলাদেশের নামেই বরাদ্দ পাচ্ছে।
আফগানিস্তানের ইংলিশ কোচ জোনাথন ট্রটও এ দুই যুক্তিতেই এগিয়ে রাখছেন বাংলাদেশ দলকে। গতকাল মিরপুরে ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে যেমন এসেছিলেন কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে, তেমনি আফগানিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবেও সংবাদ সম্মেলনে আসেন তাদের কোচ জোনাথন ট্রট।
টেস্টে এগিয়ে কে- এমন প্রশ্নের জবাবে আফগানদের এই ইংলিশ কোচ বলেছেন, ‘ঘরের মাঠে খেলা দল সব সময়ই কিছুটা সুবিধা পেয়ে থাকে। এছাড়া লম্বা সময় ধরে চলা টেস্ট খেলা দলও বাড়তি সুবিধা আদায় করে নেয়। তবে তার মানে কিন্তু এই নয় যে, বাংলাদেশ কাল আমাদের চেয়ে ভালো ক্রিকেট খেলবে। আমরাও ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে ছেলেরা মুখিয়ে আছে।’
বাংলাদেশ-আফগানিস্তান এর আগে একটিই মাত্র টেস্ট খেলেছে। ২০১৯ সালে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সেই টেস্টের স্মৃতিটা বাংলাদেশের জন্য বড় বেশি বেদনার। নবাগত আফগানদের বিপক্ষে হার মানতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। তবে ট্রটের মতে, অতীত পরিসংখ্যান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। অতীতের সাফল্য ম্যাচ জেতাবে না। তার দাবি, আফগানদের লক্ষ্য এখন একটাই, নিজেদের টেস্ট জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা, ‘বেশি বেশি টেস্ট খেলা, টেস্ট জাতি হয়ে ওঠাটা আফগানিস্তানের আকাঙ্ক্ষা। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, মাঠে নেমে প্রতিটি ম্যাচ জেতার জন্য খেলা। বাংলাদেশ সম্প্রতি বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছে। বিপরীতে আমরা অনেক দিন ধরে কোনো টেস্ট খেলিনি। আমাদের লক্ষ্য সাদা বলের মতো লাল বলেও (টেস্টেও) প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল হয়ে ওঠা। আমাদের ছেলেরা মাঠে সেই চেষ্টাই করবে।