৪৯১ রানের লিড নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। বিরতি থেকে সাজঘরে ফিরে গেছেন সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হাসান শান্ত। প্রথম ইনিংসে ১৪৬ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৪ রান করেছন এই ব্যাটার। শান্তর বিদায়ের পর ক্রিজে এসেই আউট হন মুশফিক। এরপর লিটনকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন মুমিনুল। শতক থেকে ৫ রান দূরে আছেন তিনি। ৬১৪ রানের লিড নিয়ে চা পান বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ।
তৃতীয় দিনেও সাবলীলভাবে ব্যাট করতে থাকেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার জাকির-শান্ত। তবে দলীয় ১৯১ রানে উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৯৫ বলে ৭১ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন জাকির। এরপর ক্রিজে আসা মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে খেলতে থাকেন শান্ত।
১১৫ রানে সেঞ্চুরি পূরণ করেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে ১৪৬ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছেন বাঁহাতি এই এই ব্যাটার। এর আগে বাংলাদেশের পক্ষে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন মুমিনুল হক।
শান্তর পাশাপাশি মুমিনুলও আক্রমণাত্নক ব্যাটিং করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান সংগ্রহ করে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতি থেকে ফিরে দলীয় ২৭৪ রানে আউট হন শান্ত। ১৫১ বলে ১২৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান এই ব্যাটার।
শান্তর বিদায়ের পর ক্রিজে এসেই আউট হন মুশফিকুর রহিম। দলীয় ২৮২ রানে ৩ বলে ৮ রান করে ফিরে যান মুশফিক। এর পরই ৬৭ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন মুমিনুল। লিটনকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন মুমিনুল।
৪ উইকেট হারিয়ে ৩৭৮ রান সংগ্রহ করে চা পান বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। মুমিনুল ১১৮ বলে ৯৫ ও লিটন ৪৭ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন।