ধর্ষণের শিকার হয়ে মেয়ের বিয়ের ঘটককে খুন করলেন গৃহবধূ

সাটুরিয়ায় ধর্ষণের শিকার হয়ে ঘটককে খুন করেছেন এক গৃহবধূ। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ছয় ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে হত্যার অভিযোগে ভুক্তভোগী গৃহবধূকে গ্রেফতার করেছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সামরুল হোসেন। 

জানা গেছে, টাঙ্গাইলের নাগরপুরের আউটপাড়া গ্রামের মৃত ফটিক আলীর ছেলে মো. লোকমান হোসেন কৃষিকাজ ও এলাকায় বিয়ের ঘটকালি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। গত ১৪ জুন বিকালে বাড়ির কাউকে কোনো কিছু না জানিয়ে বের হন তিনি। পরদিন ১৫ জুন তার মরদেহ সাটুরিয়া উপজেলার পূর্ব দিঘলিয়ার একটি কৃষিজমি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া গৃহবধূর দেওয়া তথ্যমতে, মো. লোকমান হোসেনের সঙ্গে তিন মাস আগে তার পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে তারের মেয়ের সঙ্গে লোকমান বিয়ে ঠিক করেন এক যুবকের সঙ্গে।

গত ১৫ জুন রাতে লোকমান হোসেন ঐ গৃহবধূকে বসতবাড়ির পেছনে চকের ভেতর (কৃষিজমি) পুকুর পাড়ে মেয়ের বিয়ের সম্বন্ধে কথা আছে বলে যেতে বলেন। এ সময় কথাবার্তার পর গৃহবধূকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য জোর করেন লোকমান। এক পর্যায়ে ধর্ষণ শেষে চলে যাওয়ার সময় লোকমানকে লাথি মারেন ভুক্তভোগী। এতে লোকমান ঘটনাস্থলেই মারা যান। লোকমান হোসেন ঘটকের ছদ্মবেশে অনেক নারীর ইজ্জত নষ্ট করেছেন বলে দাবি এই গৃহবধূর।

সাটুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম আল মেহেদি জানান, নিহত মো. লোকমান হোসেনের ছেলে আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে বের হলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।