ঈদুল আজহার আগে চিনির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা বাড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন। গতকাল সোমবার বাণিজ্য সচিবের কাছে পাঠানো এই চিঠিতে প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম ১৪৫ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী ২২ জুন থেকে এ দাম কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ব্যবসায়ীরা এভাবে নিজেরা চিনির দাম বাড়াতে পারে না। বিষয়টি আমরা আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে কতটা যৌক্তিক তা বিচার-বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির কাঁচামালের দাম বাড়া ও শুল্ক সুবিধার অজুহাতে ব্যবসায়ীরা চিনির দাম বাড়াতে চায়।
নীতিমালা অনুযায়ী, ভোজ্য তেল, চিনিসহ কয়েকটি আমদানি পণ্যের দাম বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে সরকার। কিন্তু ব্যবসায়ীরা এখন নিজেরাই পণ্যের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
এর আগে ১১ মে চিনির দাম বাড়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তখন খোলা চিনির দাম কেজিপ্রতি ১২০ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনি ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তবে বাজারে নির্ধারিত এ দামে চিনি বিক্রি হয় না। বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসেবে গত বছর এই সময় দেশে প্রতি কেজি চিনি ৮০ থেকে ৮২ টাকায় বিক্রি হয়েছে।