রাজশাহীর বাঘায় দুই বন্ধুর সহযোগিতায় রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি শিমুল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সকাল ১০টার দিকে মানিকগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
অভিযুক্ত শিমুল একই এলাকা দাদপুর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে।
বাঘা থানা পুলিশের একজন মুখপাত্র জানান, গত ১৩-জুন মঙ্গলবার সকালে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় উপজেলার দাদপুর চরাঞ্চলের একটি পাট ক্ষেতে দুই বন্ধু রকি এবং রবিউলের সহযোগিতায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে শিমুল হোসেন (২৫) নামে এক যুবক। এ ঘটনায় ঐ ছাত্রীর বাবা সন্ধ্যায় বাঘা থানায় এসে তিনজনকে অভিযুক্ত করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। এরপর (১৪ জুন) সকালে ধর্ষিত শিশুকে রামেক হাসপাতালের ভর্তি করা হয় এবং ধর্ষণের সত্যতা মেলে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে এ মামলার প্রধান আসামি শিমুলসহ তিন বন্ধুই পলাতক ছিল। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঘা থানা পুলিশ মানিকগঞ্জ র্যাবের সহায়তায় সকাল ১০টার দিকে সময় মানিকগঞ্জ বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে শিমুলকে আটক করে এবং দুপুরে বাঘা থানায় নিয়ে আসে।
বাঘা থানার ওসি খাইরুল ইসলাম জানান, আমরা অভিযোগ পাওয়ার পর থেকে আসামিদের আটক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রধাস আসামিকে মানিকগঞ্জ থেকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি।