আইইবির সেমিনারে বক্তারা

মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকৌশলীদের নেতৃত্ব দিতে হবে

৫৩ বছরের বাংলাদেশ। মেগা প্রকল্পে এই দেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল। খরস্রোতা নদীর মধ্যে পদ্মা সেতু স্থাপন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে৷ বিশ্বের অন্যদেশের প্রকৌশলীরা এখন বাংলাদেশে আসছে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কৌশল দেখতে ও জানতে৷ দেশে অনেকগুলো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে৷  

সব প্রকল্পগুলোতে প্রকৌশলীরাই নেতৃত্ব দিতে হবে৷ কোন অপ্রকৌশলী ব্যক্তিরা নেতৃত্ব দিলে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়৷

বৃহস্পতিবার (২২ জুন) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি)'র পুরকৌশল বিভাগের উদ্যোগে 'মেগা অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়' শীর্ষক সেমিনারে এইসব কথা বলেন বক্তারা।  

353753557_279107751314311_322071039140857151_n

বক্তারা আরও বলেন, মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতেই প্রাকৃতিক দূর্যোগের বিষয় বিবেচনা করতে হয়। প্রকল্পের শুরুতেই সর্বনিন্ম ব্যয়ে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হয়। আমেরিকা ও ইউরোপের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা এবং চ্যালেঞ্জগুলো শেয়ার করেন৷ আমেরিকা ও ইউরোপে ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন বা বন্যার বিষয়গুলো বিবেচনা করেই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয় বলে দূর্যোগ পরবর্তী ক্ষতি কম হয়।  

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইইবির প্রেসিডেন্ট  প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর,  বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো: শাহাদাৎ হোসেন শীবলু, প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী খন্দকার মনজুর মোর্শেদ, প্রকৌশলী খায়রুল বাশার। 

প্রকৌশলী মো: আবদুস সবুর বলেন, মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে এদেশের প্রকৌশলীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাহসী ও দৃঢ়চেতা হয়ে উঠেছে৷ বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা এখন অনেক দক্ষ ও অভিজ্ঞ। যা বিশ্বের জন্য রোল মডেল। 

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন আইইবির সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শেখ তাজুল ইসলাম তুহিন, প্রকৌশলী অমিত কুমার চক্রবর্তী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনফ্রাটেক ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড ইনোভেটরস, হিউস্টন,টেক্সাসের প্রেসিডেন্ট ও সিইও ড. প্রকৌশলী আনোয়ার জাহিদ। মূখ্য আলোচক হিসেবে ছিলেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এ. এফ. এম. সাইফুল আমিন। 

আইইবির পুরকৌশল বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী সৈয়দ শিহাবুর রহমানের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সৌমিত্র কুমার মুৎসুদ্দি।