সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে গিয়ে বাংলাদেশ সেই পুরোনো রোগেই ভুগল। শেষ দিকে গোল হজম করা আর অন্যদিকে স্ট্রাইকার সংকটের খেসারত দিতে হলো। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না। বাংলাদেশের একাদেশ ছিলেন স্ট্রাইকার সুমন রেজা। লেবাননের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথমার্ধে ডিফেন্সিভ ফুটবল খেলল। একজন স্ট্রাইকার থাকবেন। মাঝ মাঠের ওপারে সুমন রেজাকে রাখা হলো, যেন বল পেলে কিছু একটা করতে পারেন।
বসুন্ধরা কিংসের এই স্ট্রাইকার সুমন রেজা ক্লাব ফুটবলে বছর জুড়ে বেঞ্চে বসে কাটান। একদাশে তার ঠাঁই হয় না। সেই সুমন রেজা জাতীয় দলে ঢুকলেন এবং এসে সেরা একাদশে তাকে নামিয়ে দেওয়া হলো। তাও আবার সাফের সবচেয়ে শক্তিশালী দল লেবাননের বিপক্ষে। কিছুই করতে পারলেন না সুমন রেজা। সাবেক তারকা স্ট্রাইকার শেখ মো. আসলাম বাংলাদেশ-লেবানন ম্যাচ দেখেছেন। বলছিলেন বেঞ্চ গরম করা স্ট্রাইকার দিয়ে জাতীয় দলে ম্যাচ জেতা কঠিন।
একজন স্ট্রাইকারের নিখুঁত চোখ লাগে। আমি দেখলাম খেলার প্রথমার্ধেই বাংলাদেশ সুযোগ পেয়েছিল। ভালো স্ট্রাইকার থাকলে কাজে লাগত।’
লেবানন এবং বাংলাদেশের ফুটবলারদের খেলায় অনেক ফারাক দেখেন আসলাম। বলছিলেন,‘লেবানন এশিয়ান লেভেলের ফুটবল খেলছে। এখানে এশিয়া এবং সাউথ এশিয়ার ফুটবলের চিত্র ফুটে উঠেছে। লেবাননের ডজ, ড্রিবলিং, সব মিলিয়ে আমাদের ফুটবলাররা অনেক পিছিয়ে। এটা আয়ত্ব করতে পারলে লড়াই হবে। এখানে ভারতের কথা আলাদা।’
আসলাম বলেন, ‘আমাদের ফুটবলারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব, অভিজ্ঞতার অভাব। এভাবে ফুটবল হয় না।’