জাবিতে ২৯৪ কোটি টাকার বাজেট, গবেষণা-চিকিৎসায় বরাদ্দ বেড়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ২৯৪ কোটি ১৬ লাখ টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ বেড়েছে চিকিৎসা ও গবেষণা খাতে।

শনিবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সিনেট হলে এ বাজেট পাস হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার এ বাজেট উত্থাপন করেন।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯৪ কোটি ১৬ লাখ টাকার বাজেট বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ২৭১ কোটি ৮১ লাখ টাকা অনুদান দেবে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সূত্রে ২২ কোটি টাকা ৩৫ লাখ টাকা আয় হবে।

অধিবেশনে ২০২২-২৩ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটও পেশ করা হয়। সংশোধিত বাজেটের আকার ২৮৭ কোটি এক লাখ টাকা। সংশোধিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

বাজেট পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে চিকিৎসা খাতে বাজেট ধরা হয়েছে দুই কোটি ৮৯ লাখ ২৬ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের ০.৯৮ শতাংশ। এছাড়া গবেষণা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১.৮৮ শতাংশ। এ দুই খাতে গতবছর বরাদ্দ ছিলো যথাক্রমে ২ কোটি ৭৪ লাখ ১১ হাজার ও ৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

বাজেটে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৭৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা। যা মূল বাজেটের ৫৯.৫৯ শতাংশ। পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধা বাবদ বরাদ্দ ৪২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১৪.৩৯ শতাংশ। পণ্য ও সেবা (সাধারণ আনুষাঙ্গিক) ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬ কোটি ৫ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১৯.০৫ শতাংশ। পণ্য ও সেবা (রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত) ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা বাবদ বরাদ্দ  রাখা হয়েছে ৪২ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.১৪ শতাংশ। 

এছাড়া যন্ত্রপাতি খাতের ব্যয় বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১.২১ শতাংশ। যানবাহন ক্রয় বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.৫১ শতাংশ৷ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৫ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.১৯ শতাংশ। অন্যান্য ও মূলধন জাতীয় বরাদ্দ ৫০ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.১৭ শতাংশ। অন্যান্য ব্যয় বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১.৪২ শতাংশ৷ 

সিনেট অধিবেশনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার, রেজিস্ট্রার (চুক্তিভিত্তিক) রহিমা কানিজ, সিন্ডিকেট সদস্য ও রেজিস্ট্রার গ্রাজুয়েট প্রতিনিধিরা।