আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে প্রস্তুত রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্রগুলো। ঈদে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের বিনোদনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রগুলোতে চলছে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি। ভ্রমণপিপাসুদের আগ্রহ বাড়াতে চলছে আলোকসজ্জার কাজ। চিড়িয়াখানা, শিশুপার্ক, শিশুমেলা, বোটানিক্যাল গার্ডেন, বিভিন্ন রিসোর্ট, পার্কসহ অন্যান্য বিনোদন স্থানগুলোতে চলছে শেষ সময়ের ধোয়ামোছার কাজ। পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে এবারো খোলা থাকছে রাজধানীর বিনোদনকেন্দ্রগুলো। শিশুদের জন্যে ঈদের আনন্দ উপভোগ করার অন্যতম স্থান ডিএনসিসি ওয়ান্ডারল্যান্ড (শিশু মেলা) ও জাতীয় শিশুপার্ক। শিশু দর্শনার্থীদের জন্য ৪০টি রাইড রয়েছে শিশু মেলায়। যার মধ্যে ১৫টি রাইডে সবাই চড়তে পারলেও বাকিগুলো কেবল শিশুদের জন্য। ঈদের দিন সকাল ১০টা থেকে খোলা থাকবে ডিএনসিসি ওয়ান্ডারল্যান্ড যা শ্যামলী শিশুমেলা নামেও অনেকের কাছে পরিচিত। প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা। এছাড়া নন্দন পার্ক, ফ্যান্টাসি কিংডম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনা পার্ক, চন্দ্রিমা উদ্যানসহ বিভিন্ন উন্মুক্ত জায়গায় মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াতে পারবেন দর্শনার্থীরা।
ঢাকা চিড়িয়াখানায় ভেতরের রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। অন্যান্য বিনোদনকেন্দ্রেও ছোটখাটো সংস্কারসহ ঈদের ভিড় সামাল দিতে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানান এবার বিনোদনকেন্দ্রে ঈদ উপলক্ষ্যে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা।
ঈদের দিন সকাল ৯টা থেকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে চিড়িয়াখানা। প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা। ঈদের দিন দর্শনার্থীদের জন্য বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে জাতীয় জাদুঘর। তবে অন্য দিনগুলোতে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জাদুঘরের গ্যালারি ঘুরে দেখা যাবে। ঈদ উপলক্ষ্যে শিশু-কিশোর ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিনা টিকিটে জাদুঘর পরিদর্শনের সুযোগ থাকবে।
প্রস্তুত জাতীয় জাদুঘর ও হাতিরঝিল ছাড়াও রাজধানীর অদূরে অবস্থিত ফ্যান্টাসি কিংডম ও নন্দন পার্ক। ঈদের দিনে প্রিয়জনের সঙ্গে কাটানো সুন্দর সময়কে আরো মধুর করে তুলতে ইতিমধ্যেই প্রস্তুত করা হয়েছে হাতিরঝিলের বোট সার্ভিস। হাতিঝিলের চারটি বোট কাউন্টার থেকে ঈদ স্পেশাল বোট সার্ভিস চালু থাকবে। দর্শনার্থীদের ৩০ মিনিটে নৌকা ভ্রমণের জন্য গুণতে হবে ৭০ টাকা।