অবশেষে ৮ দিন পর যশোর উপশহর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের মামলা কোতয়ালি থানা গ্রহণ করেছে। ওই ছাত্রীর মায়ের দায়ের করা মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে ১৬ জুলাই মামলা দেওয়া হলে পুলিশ তা নেয়নি।
আসামিরা হলো, অভয়নগর উপজেলার চেঙ্গুটিয়া বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে তারেক (২০), একই গ্রামের বাবর বিশ্বাস এবং সদর উপজেলার বসুন্দিয়া বাজারের পাশে শুকুর আলীর স্ত্রী সাবিকুর নাহার (২৭)।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি তারেক মোল্লা স্কুলে যাওয়ার পথে তানিয়া ইসলাম বৃষ্টিকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করতো এবং প্রেমের প্রস্তাব দিতো। কিন্তু সে তারেকের প্রেমের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। গত ১৫ জুন দুপুর আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে উপশহর একটি কোচিং সেন্টারে কোচিং করতে যায় তানিয়া। নিউমার্কেট বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সামনে পৌঁছুলে আসামিরা তানিয়ার গতিরোধ করে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়।
এ ঘটনার পর তানিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হয়। পরে জানতে পেরে অপহরণকারী তারেকের বাড়ি যেয়ে তানিয়াকে ফেরত দেওয়ার জন্যও অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তারেকের পরিবার তানিয়াকে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তাকে ফেরৎ দেয়নি। ফলে কোতয়ালি থানায় এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তা মামলা হিসাবে রেকর্ড করে।
আরও পড়ুন: আত্রাইয়ে ইট বোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় একজন নিহত
এই বিষয়ে কোতয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) সমীর কুমার সরকার জানিয়েছেন, ওই স্কুল ছাত্রীকে অপরহরণ করা হয়নি। সে নিজেই তারেকের সঙ্গে চলে গেছে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে ওই মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক। তার কোনো কথা পুলিশ গ্রহণ করবে না। তার অভিভাবক অভিযোগ দিলে পুলিশ তা গ্রহণ করতে বাধ্য।
ইত্তেফাক/নূহু