দেশে জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯.৭৪%-এ, যা মে মাসে ছিল ৯.৯৪%। সোমবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দেওয়া মে মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) হালনাগাদে এ তথ্য জানা গেছে।
পরিসংখ্যানে বলা হয়, জুন মাসে সাধারণ পয়েন্ট টু পয়েন্ট মুদ্রাস্ফীতির হার সামান্য কমে ৯.৭৪%-এ দাঁড়িয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় ০.২০% কমেছে।
বিবিএসের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, মে মাসে দেশে মুদ্রাস্ফীতির হার ৯.৯৪% রেকর্ড করা হয়েছে, যা এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।
জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯.৭৩% এ দাঁড়িয়েছে, মে মাসে ৯.২৪% থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অ-খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯.৬% হয়েছে, যা আগের মাসে ৯.৯৬% থেকে কমেছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.১০% এবং পরের মাসে ৯.৯৩% এ নেমে আসে। এরপর থেকে মূল্যস্ফীতি কখনো দুই অংক অতিক্রম করেনি।
৯.৭৪% মূল্যস্ফীতির হার মানে, একজন ব্যক্তি ২০২২ সালের মে মাসে ১০০ টাকার পণ্য ক্রয় করেছেন তাকে একই পণ্য কিনতে চলতি বছরের মে মাসে ১০৭.৭৪ টাকা খরচ করতে হবে।
মুদ্রাস্ফীতির চাপ তীব্রভাবে বেড়েছে, যা জনগণের ক্রয়ক্ষমতার উপর আরও চাপ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
বিবিএসের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চাল, ডাল, তেল, লবণ, মাছ, মাংস, শাকসবজি, মসলা এবং তামাকজাত পণ্যের দাম যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হারও।
আবাসন, আসবাবপত্র, গৃহস্থালী সামগ্রী, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন এবং শিক্ষাগত সম্পদের খরচ নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে।