জনবল নিয়োগ হবে সেতু মন্ত্রণালয়ে

বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ৪টি পদের বিপরীতে ১৮ জনকে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।


হিসাবরক্ষক

এই পদটিতে ১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের জন্য প্রার্থীকে বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক বা সমমানের পাস হতে হবে। অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নিয়োগপ্রাপ্তদের ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা হারে বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

 

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

এই পদে ৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের জন্য প্রার্থীকে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাসসহ কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হবে। এ ছাড়াও কম্পিউটার টাইপিংয়ে গতি প্রতি মিনিটে ইংরেজি ও বাংলাং ২০ শব্দ থাকতে হবে। এই পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা হারে বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

ক্যাশ সরকার

এই পদটিতে ১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের জন্য প্রার্থীকে দ্বিতীয় বিভাগে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাস হতে হবে। নিয়োগপ্রাপ্তদের ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার ৩১০ টাকা হারে বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

অফিস সহায়ক

এই পদে ১২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের জন্য প্রার্থীকে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাস হতে হবে। নিয়োগপ্রাপ্তদের ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা হারে বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।


আবেদনকারীর বয়স

 আবেদনকারীর বয়স ৭ জুলাই, ২০১৯ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। এ ক্ষেত্রে কোনো এফিডেভিড গ্রহণযোগ্য নয়।

আবেদন প্রক্রিয়া

উল্লিখিত পদে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ জন্য প্রার্থীকে www.bridgesdivision.gov.bd  ঠিকানায় প্রবেশ করে e-Recruitment মেন্যুতে গিয়ে আবেদন করতে হবে। সফলভাবে আবেদন সাবমিটের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশের মাধ্যমে পরীক্ষা ফি প্রদান করতে হবে।


আবেদন করতে পারবেন

ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে আবেদন প্রক্রিয়া। অনলাইনে আবেদন করা যাবে আগামী ৭ জুলাই, ২০১৯ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

যে বিষয়ে পূর্বপ্রস্তুতি দরকার

এর আগে এই পদগুলো বিপরীতে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার প্রশ্নগুলো সংগ্রহ করে অনুশীলন করলে ভালো ধারণা পাওয়া যাবে। মাধ্যমিক শ্রেণির বইগুলোও খুব কাজে দেবে। বেসিক নলেজ ভালো থাকতে হবে মনে রাখতে হবে যার বেসিক যতো ভালো সে পরীক্ষায় ততো ভালো করবে। প্রাথমিক বাছাই শেষে প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এতে থাকতে পারে বাংলা ব্যাকরণ অংশের প্রবাদ প্রবচন, উপসর্গ, সন্ধি বিচ্ছেদ, সমার্থক শব্দ, বাংলা পরিভাষা, বাগধারা, পদ, সমোচ্চারিত শব্দ, এক কথায় প্রকাশ, বিপরীত শব্দ, শুদ্ধ বানান, বচন, সমাস, কারক, বিভক্তিসহ নানা বিষয়ে প্রশ্ন। বিভিন্ন উপন্যাসের লেখকের নাম, বিভিন্ন গ্রন্থের নাম, বিভিন্ন উপন্যাসের চরিত্রের নাম, রচয়িতা, জন্ম মৃত্যুকালসহ উপন্যাস, নাটক ও সাহিত্যের অন্যান্য অংশ থেকে প্রশ্ন থাকে।  বর্তমান সময়ে ইংরেজি ছাড়া পরীক্ষার কথা কল্পনাই করা যায় না। এই পরীক্ষাও তার ব্যতিক্রম নয়। ইংরেজির গ্রামার অংশ থেকে লিখিত পরীক্ষায় গ্রামারের নানা বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। রচনামূলক অংশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইংরেজি রচনা আসতে পারে। বাজারে বিভিন্ন প্রকাশনীর গ্রামার বই পাওয়া যায়। সেসব বই ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পাঠ্য ইংলিশ গ্রামার বইগুলো অনুশীলন করলে প্রস্তুতি সুন্দর হবে।