শরীরের মাংস তুলে নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে বিবস্ত্র করে শরীরের মাংস তুলে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ইসলামনগর এলাকার মৃত ছৈয়দ হোছনের ছেলে আবুল হোছন (৫০), মো. আরিফ পুতিয়া (৪০) ও একই এলাকার আবু তাহেরের স্ত্রী ডলি আক্তার (৩০)।

ভুক্তভোগী ইসমত আরা বেগম (৩৮) ইসমত আরা বেগম লক্ষ্যরচর ইউনিয়নের  রুস্তম আলী চৌধুরী পাড়ার মৃত জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী।

১৫'র কক্সবাজার সিপিএসসির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে ১১ জুলাই সকাল ৭টার দিকে  ইসলামনগর এলাকায় এক আত্মীয়র বাসায় গিয়ে ডাকাডাকি করলে পাশের বাড়ির লোকের ঘুম  ব্যাঘাত ঘটায় মানসিক প্রতিবন্ধী ওই নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে দা দিয়ে  কুপিয়ে ইসমত আরার শরীরের মাংস তুলে ফেলে নির্যাতনকারীরা। পরে তাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে মহাসড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয়।

র‌্যাবের বের অফিসে গ্রেপ্তারকৃতরা। সৌজন্য ছবি

সেখান থেকে স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় শনিবার নির্যাতনের শিকার ইসমত আরার বোন জিন্নাত আরা বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার একটি মামলা করেন। পরে  শনিবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে ইসলামনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনায় জড়িত ২নং আসামীকে গ্রেফতারে র‌্যাবের ভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

চকরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. আব্দুল জব্বার বলেন, মানসিক প্রতিবন্ধি নারী ইসমত আরাকে হত্যা চেষ্টা মামলার তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তারের পর চকরিয়া থানায় হস্তন্তর করেছে র‌্যাব। রোববার বিকালে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।