গণঅধিকার পরিষদের তারেকের ওপর 'নুরের বডিগার্ডের' হামলার অভিযোগ

গণঅধিকার পরিষদের একাংশের নেতা তারেক রহমানের ওপর 'নুরের বডিগার্ড সাইফুল' হামলা চালিয়েছে বলে ফেসবুক লাইভে এসে অভিযোগ করেছেন স্বয়ং তারেক রহমান। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে তাকে কাঁদতে দেখা যায়। এ সময় হামলা চালিয়ে গণ অধিকার পরিষদের এই অংশকে দমিয়ে রাখা যাবে না বলে জানান দলটির এই অংশের আরেক নেতা আতাউল্লাহ। তারেক রহমান গণঅধিকার পরিষদ ভাঙ্গনের আগে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

সোমবার (১৬ জুলাই) দুপুরে গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে নিচে এলে তার ওপর নুরের বডি গার্ড হিসেবে পরিচয় দেয়া সাইফুলসহ আরও ২-৩ জন হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তারেক। 

লাইভে এসে তিনি বলেন, নুরের বডি গার্ড- সাইফুল, মাথায় আঘাত করছে। তারা ২-৩ জন ছিলো, ২০-২৫ বার মাথায়, ঘাড়ে ও কানে আঘাত করে।

তারেক আরও জানান, মারার সময় তারা বলছিলো- আপনি এত কথা বলেন কেনো? আপনি লাইভ করেন কেনো?

এ সময় তারেকের সঙ্গে থাকা মানুষগুলো কিছু করেনি কেনো জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সঙ্গে ছিলো কয়েক জন। কিন্তু ওরা আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য ডেকে সাইডে নিয়ে যায়। এরপর মেরেছে।

ঘটনা স্থানে এই লাইভে যুক্ত হন গণ অধিকার পরিষদের (একাংশের) অপর নেতা আতাউল্লাহ। তিনি ভাঙ্গনের আগে গণ অধিকার পরিষদের ১ নং যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। লাইভে যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে কোটা বিরোধী আন্দোলন শুরু করেছিলাম। আজকে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী যেভাবে ফিলিস্তিন দখল করে, বাইতুল মোকাদ্দাস মসজিদ দখল করে, ঠিক সেইভাবে ইসরাইলি বাহিনীর মত আমাদের গণ অধিকার পরিষদের কার্যালয় তারা দখল দিয়ে রাখছে। আজকে আমরা যারা সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছি, তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করছে। আমরা বলে দিতে চাই, আমরা সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য দাঁড়িয়েছি, অতীতেও বারবার আমরা আক্রান্ত হয়েছি, রক্তাক্ত হয়েছি এই সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য। যতই আঘাত করা হউক আমাদের ওপর, যতই রক্তাক্ত করা হউক। আমরা রাজপথ ছাড়বো না।

এ সময় নুরপন্থিদের হুশিয়ার করে তিনি বলেন, তোমরা যারা প্রতারণা করতে চাচ্ছো, আমরা সত্যবাদী। সত্যের সঙ্গে আছি। সত্যের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। আমরা এভাবেই রাজনীতি করে যাবো। আমাদের হারার কোন ভয় নাই। যেই তারেক, কষ্ট করে দলের কর্মী সংগ্রহ করেছে। সেই তারককে আজকে নুরের গুণ্ডারা এসে আক্রমণ করেছে।

লাইভের শেষ অংশে দেখা যায় নেতাকর্মীরা সিএনজিতে করে তারেক রহমানকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছে।