সিট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) সংসদকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অভিযোগের বিষয়ে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে যথোপযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৩ জুলাই) সকালে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক লাভলী হক সাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বেশ কিছুদিন যাবৎ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সিট বাণিজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা লক্ষ্য করছি। যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও সংগঠনের সাত দশকের লড়াইকে ক্ষুণ্ণ করার সামিল। তাই আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে অভিযোগের যথোপযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হলো।
এ বিষয়ে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি ইমতিয়াজ অর্ণব সাংবাদিকদের বলেন, 'এমন কোন চিঠির বিষয়ে আমরা জানতে পারিনি।' তবে সাধারণ সম্পাদক অমর্ত্য রায়কে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি দীপক শীল বলেন, 'ছাত্র ইউনিয়ন সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিল। শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছিল। আর আমাদের কারো বিরুদ্ধে এমন প্রশ্ন ওঠাটা খুবই অস্বাভাবিক। আমরা বিশ্বাস করি অভিযোগটি সত্য নয়। তবে যেহেতু একটি অভিযোগ উঠেছে, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। যদি এমন কোনো ঘটনার সঙ্গে ছাত্র ইউনিয়নের কেউ জড়িত হয়। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ছাত্র ইউনিয়নের জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক অমর্ত্য রায়ের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে ৪০টি সিট চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের স্বীকারোক্তিমূলক একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। যদি পরে সংবাদ সম্মেলনে হল প্রভোস্ট ও প্রক্টরের বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বামপন্থী গোষ্ঠীর গণরুমবিরোধী অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা বলে দাবি করেন ছাত্র ইউনিয়নের জাবি সংসদের নেতাকর্মীরা।