কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ে থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দুই সহোদরকে অপহরণের চেষ্টাকালে স্থানীয়দের গণধোলায়ে আজিমুল্লাহ নামে এক রোহিঙ্গা নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার হোয়াইক্যং মিনাবাজার এলাকার পশ্চিম পাহাড়ের ভেতরে সোমবার (৩১ জুলাই) বিকেল এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দুই সহোদর হলেন একই এলাকার শাহ আলমের দুই ছেলে মো. আবছার (২২) ও মোহাম্মদ খাইরুল আমিন (১৬)।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. জোবাইর সৈয়দ জানান, হোয়াইক্যং মিনাবাজারের দুই সহোদর পাহাড়ে চাষাবাদ থেকে ফেরার পথে অপহরণকারিদের কবলে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধারের পাশাপাশি ধাওয়া দিয়ে দুই রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তকে ধরে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজিমুল্লাহ নামের একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে ও গুরুতর আহত হাসিমউল্লাহকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা বলে প্রাথমিক তথ্য মিললেও পুরো ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
টেকনাফের হ্নীলা, হোয়াইক্যং ও বাহারছরার পাহাড়ের পাদদেশে ক্ষেতখামারে যাওয়া স্থানীয় কৃষক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা একের পর এক অপহরণের শিকার হয়ে লাখ লাখ টাকার মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছে। এপর্যন্ত ৮০-৯০ জন টাকা দিয়ে জীবিত ফিরতে পারলেও টাকা দিতে না পারায় ৮-১০ জন অপহৃত হত্যার শিকার হন। তাই অতিষ্ঠ কৃষকরা এবার অপহরণকাদের প্রতিহত করতে একতাবদ্ধ।