স্টেডিয়ামের গেট তখনো খোলেনি। ৩ নম্বর গেটের সামনে শত শত দর্শক। ইস্ট বেঙ্গলের জার্সি গায়ে, পতাকা হাতে, মাথায় ব্যান্ড, কেউ রং তুলি নিয়ে গালে হাতে এঁকে দিচ্ছেন লাল হলুদ পতাকা। কিশোর তরুণ-তরুণী কিংবা প্রবীণ দর্শক একই লাইনে।
কয়েক বছর ধরে ইস্ট বেঙ্গলের ঘরে ট্রফি উঠছে না। খেলায় হারতে হারতে তলানির দিকে। আর সেই প্রভাব পড়েছে গ্যালারিতে। দর্শক কমে গেছে। তার পরও গতকালের ম্যাচে দর্শক আগ্রহ বাংলাদেশের ফুটবল দর্শকের তুলনায় হাজার গুণ বেশি। হাজার দশেক দর্শক খেলা দেখতে এসেছেন। তাদের উচ্ছ্বাসের রং এভাবেই সাজিয়ে দিয়েছে স্টেডিয়ামে। রক্তে আমাদের ইস্ট বেঙ্গল। শ্যামনগর বাঙাল ব্রিগেড, বনগাঁ চাপাবেড়িয়া ফ্যানস, দ্যা বাঙাল এম্পায়ার, নৈহাটি বাঙাল বাহিনী, বাটানগর লালহলুদ পরিবার-এসব কথা লেখা ছিল ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের আনা ব্যানারে। উৎসবমুখর করে তোলে।
মৌসুমের প্রথম ম্যাচটায় ড্র হলেও এ যেন হার নিয়ে ফিরেছেন ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকরা। সেনাবাহিনীর কোচ আব্দুর রাজ্জাক বলছিলেন, ‘সময় থাকলে আরো গোল হতো। ওদের রক্ষণ চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে ইস্ট বেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ কার্লস কুয়াদ্রাত বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়ান জর্ডান এলসেন অনুশীলন ছাড়া নামলেও সে খেলার মধ্যেই ছিল। দলের সঙ্গে এডজাস্ট করতে পারেনি।’
২-০ গোলে এগিয়ে থাকা ইস্ট বেঙ্গল কোচ টপাটপ খেলোয়াড় পরিবর্তন করেছেন। সেটাই দলের জন্য কাল হয়েছে। কিন্তু সেটা তিনি মানতে রাজি না। আর অন্যদিকে বাংলাদেশের কোচ আব্দুর রাজ্জাক বললেন, ‘আমার পরিবর্তনগুলোই দলটাকে ম্যাচে ফিরিয়েছে।’