‘ইউক্রেনের একমাত্র পথ আত্মসমর্পণ, তবে প্রধান বাধা ওয়াশিংটন’

চলমান পরিস্থিতিতে প্রকৃতপক্ষে ইউক্রেনের একমাত্র উপায় হলো আত্মসমর্পণ। এটিই কেবল শান্তির পথ প্রশস্ত করতে পারে। তবে ওয়াশিংটন বা কিয়েভ কেউই তা চাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ।

মেদভেদভ তার তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে লিখেছেন, ‘বিভক্ত দেশের ফাঁদে পড়া মানুষদের সত্যিই কেবল আত্মসমর্পণের পথই খোলা আছে যা সম্ভবত শান্তির পথ প্রশস্ত করতে পারে। কিন্তু ওয়াশিংটন বা কিয়েভ কেউই শান্তি চায় না।’

মেদভেদেভ আরও বলেছেন, ‘কিয়েভ এখন কসাইখানা। এখানে অবিরাম পাল্টা আক্রমণ চলছে, হাজার হাজার হতভাগ্য লোককে সেই কসাইখানায় পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু কিয়েভ সরকারকে সাহায্য করার মতো শক্তি এই ধরনের অপারেশনের নেই। এটি এখন ময়না-তদন্তের পর্যায়ে পৌঁছেছে। কোনো উপায়েই তারা নিহতদের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারবে না।’

কিয়েভকে আরও ১৩ বিলিয়ন ডলার জরুরি সামরিক সহায়তা বরাদ্দ করার আবেদন জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। এ বিষয়ে মেদভেদেভ বলেন, ‘কান্ট্রি ৪০৪ থেকে জম্বিদের জন্য অর্থহীন বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের বিষয়ে জানতে পেরে আলোকিত বিশ্ব আবারও নড়ে চড়ে বসেছে। একই সময়ে, পশ্চিমা ট্যাঙ্ক পোড়ানোতে মত্ত কামিকাজেরা এটি দেখতে পাবে না। তারা মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না।’

একই সময়ে রাশিয়ার এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, মার্কিন ডেমোক্রেটিক পার্টির জেরোন্টোক্র্যাটিক এলিট এবং ইইউতে তার দালালদের জন্য এই অর্থ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিশেষে, মহান পাল্টা আক্রমণের পৌরাণিক কাহিনী সর্বশক্তিমান ডলার-ভিত্তিক অর্থনীতির রূপকথার মাধ্যমে টিকে আছে।