জি-২০  ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যত’

পহেলা ডিসেম্বর ২০২২-এ, ভারত গ্রুপ অব ২০ (জি-২০)-এর প্রেসিডেন্সি গ্রহণ করে। ১৯টি প্রধান অর্থনীতি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব করে জি-২০, যা বিশ্বব্যাপী জিডিপির ৮৫ শতাংশ, বিশ্ববাণিজ্যের ৭৫ শতাংশেরও বেশি এবং বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে গঠিত। ভারতের জি-২০ প্রেসিডেন্সির মূল সুর হলো ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যত’—যা সংস্কৃতে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ বাক্যাংশ দিয়েও প্রকাশ করা হয়। বৈশ্বিক সমস্যাসমূহের প্রতি ভারতের সামগ্রিক পরস্পরনির্ভরশীল দৃষ্টিভঙ্গি ফলপ্রসূ ও ন্যায়সংগত বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে থাকে। ৯-১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ ভারতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন চলাকালীন, ভারতের ৫০টিরও বেশি শহরে ৩২টি পৃথক কর্মধারার মধ্য দিয়ে জি-২০ কর্মপরিকল্পনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য জি-২০-এর প্রায় ২০০টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এটি বৈশ্বিক সহযোগিতার জন্য একটি বিশাল সুযোগ প্রদান করে।

জি-২০ প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভারত ঘোষিত ছয়টি অগ্রাধিকার হলো: জলবায়ু পরিবর্তনসহ জলবায়ু-বিষয়ক কার্যাবলি; অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিস্থাপক বিকাশ; টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অগ্রগতি ত্বরান্বিতকরণ; প্রযুক্তিগত রূপান্তর ও ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার; নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন; এবং সংশোধিত বহুপাক্ষিকতা।

বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার ক্ষেত্রে আজকের প্রধান প্রতিবন্ধকতাসমূহ সশস্ত্র সংঘাতের প্রভাব এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে কোভিড-১৯ অতিমারির মতো নজিরবিহীন ব্যাঘাত থেকে উদ্ভূত। ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহ (এসডিজি) নিয়ে টেকসই উন্নয়নের এজেন্ডা ২০৩০ বৈশ্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নের একমাত্র সর্বজনীন কাঠামোর প্রতিনিধিত্ব করে।

জাতিসংঘের মতে, ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে এজেন্ডা ২০৩০ সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়ার সময় বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬০ মিলিয়ন মানুষ সশস্ত্র সংঘাতের শিকার হয়েছিল। ২০২২ সালের মধ্যে, এই সংখ্যাটি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৩২৪ মিলিয়নে পৌঁছেছে। ২০২২ সাল নাগাদ, সারা বিশ্বে প্রায় ৬৮৫ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে ছিল, যার মধ্যে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যায়।

ফলস্বরূপ, ভারতের জি-২০ প্রেসিডেন্সির অগ্রাধিকার হলো ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০-এর সময়সীমার মধ্যে এজেন্ডা ২০৩০ অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় বৈশ্বিক সহযোগিতার গতিবেগকে পুনরুজ্জীবিত করা। ভারত যে ছয়টি ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেই ক্ষেত্রগুলোতে ভারতের গৃহীত জাতীয় উদ্যোগসমূহ অন্যান্য জি-২০ রাষ্ট্রসমূহকে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জানানো হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন :জলবায়ুসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড রক্ষায় ভারতের ভূমিকা জলবায়ুবিষয়ক কার্যকলাপকে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করার ক্ষেত্রে ভারতের উদ্যোগের উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব রয়েছে। দুটি যুগান্তকারী প্রস্তাব হলো, পরিবেশের জন্য গ্লোবাল লাইফস্টাইল (LiFE)-এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং উন্নয়নের জন্য নবায়নযোগ্য সৌরশক্তি ব্যবহার করা। ২০১৫ সালের প্যারিস কনফারেন্স অব পার্টিস অব দ্য ইউএন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেইঞ্জ চলাকালীন প্রণীত সৌরশক্তির ব্যবহার সম্পর্কিত ভারত-ফ্রান্সের যৌথ প্রস্তাবের ফলে ভারতভিত্তিক একটি নতুন বহুপাক্ষিক আন্তঃসরকারি সংস্থা, ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স (আইএসএ) সৃষ্টি হয়। আজ প্রায় ১২০টি দেশ আইএসএর সদস্য, যার লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার এনার্জি সলিউশনে ১ হাজার বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা, ১ হাজার মিলিয়ন মানুষের কাছে ক্লিন এনার্জি সলিউশন ব্যবহার করার মাধ্যমে এনার্জিতে অ্যাক্সেস সৃষ্টি করা এবং এর ফলে ১ হাজার গিগাওয়াট সোলার এনার্জি ক্যাপাসিটি স্থাপন করা। জি-২০ প্রেসিডেন্সি চলাকালীন ভারত জি-২০-এর উন্নত সদস্য দেশসমূহ কর্তৃক আর্থিকভাবে এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির অবাধ স্থানান্তরের মাধ্যমে অবদান রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর দৃষ্টি দিয়েছে, যাতে বিশ্বব্যাপী পরিবেশবিষয়ক লক্ষ্যসমূহ পূরণের ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়। অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি :২০১৯ সালে ইউএন ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটে প্রণীত গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রেসিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার (সিডিআরআই)-এর জন্য ভারতের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার এবং স্থিতিস্থাপক সাপ্লাই চেইন তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জি-২০-এর মধ্যে ক্রমবর্ধমান গুরুত্বারোপের ওপর নির্ভর করে, বিশেষ করে কোভিড-১৯ অতিমারি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগের একটি সিরিজের পরে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে দ্বিমুখী জ্ঞান স্থানান্তরের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি টেকসই করার উদ্দেশ্যে সিডিআরআই বহু-স্টেকহোল্ডার পদ্ধতির প্রসারণ ঘটাতে চায়। সিডিআরআই সচিবালয়ের আয়োজক ভারত বর্তমানে এই উদ্যোগের একক বৃহত্তম আর্থিক অবদানকারী।

টেকসই উন্নয়ন :উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এজেন্ডা ২০৩০ এবং এর এসডিজিসমূহ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে তাদের জাতীয় লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করার জন্য, ভারত ও জাতিসংঘ ২০১৭ সালে ইন্ডিয়া-ইউএন ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ ফান্ড সৃষ্টি করেছে। ভারত থেকে ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আর্থিক সহায়তায়, এই তহবিল স্বল্পোন্নত দেশসমূহ, স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশসমূহ এবং ছোটো উন্নয়নশীল দ্বীপরাষ্ট্রসমূহের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার প্রদান করেছে। এ পর্যন্ত ৩৭টি অংশীদার দেশে ৩৬টি প্রকল্প এই তহবিলের অধীনে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রযুক্তিগত রূপান্তর :একটি ‘হোল অব সোসাইটি’ পদ্ধতির মাধ্যমে উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে শাসন ও ক্ষমতায়নের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ভারতের সফল অভিজ্ঞতা তাকে জি-২০ প্রেসিডেন্সি চলাকালীন বিশ্বাসযোগ্য থট-লিডার করে তুলেছে। ভারত ইউএনডিপির সঙ্গে অংশীদারত্বে নিজেকে একটি গ্লোবাল হাব হিসেবে অবস্থান দেওয়ার লক্ষ্যে বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য নিম্ন বাস্তবায়ন খরচে মানবকেন্দ্রিক ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করার উদ্দেশ্যে উন্মুক্ত ও আন্তঃপরিচালনযোগ্য মান ব্যবহার করার অভিপ্রায়ে জি-২০ বৈঠকের একটি সিরিজ আয়োজন করেছে।

নারীর ক্ষমতায়ন :ভারতে অনুষ্ঠিত জি-২০ মিটিংগুলোর বর্তমান ফোকাসের মধ্যে রয়েছে নারীদের জন্য শিক্ষার ওপর কার্যকর প্রচারণা, কর্মক্ষেত্রে নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণ, নেতৃত্বের আসনে নারীদের বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব এবং লিঙ্গসমতার ক্ষেত্রে চিহ্নিত বৈষম্যসমূহ ক্রমাগত সংকুচিত করা।

বহুপাক্ষিক সংস্কার :এজেন্ডা ২০৩০-এর প্রস্তাবনা জোর দিয়ে উল্লেখ করে, ‘শান্তি ছাড়া টেকসই উন্নয়ন হতে পারে না এবং টেকসই উন্নয়ন ছাড়া কোনো শান্তি হতে পারে না।’ এটি যুদ্ধের যুগ নয়—উল্লেখ করে ভারত এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছে। যা-ই হোক, শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিদ্যমান বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানের অকার্যকারিতা ‘সংস্কার বহুপাক্ষিকতাবাদ’-এর আহ্বানকে তুলে ধরেছে। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য জাতিসংঘ সনদের অধীনে দায়বদ্ধ জাতিসংঘ ও এর নিরাপত্তা পরিষদের মতো বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কারের জন্য জি-২০-কে গুরুতর চেষ্টা চালাতে হবে (যেখানে ২০০৫ সালে বিশ্বনেতৃত্ব কর্তৃক সর্বসম্মতভাবে গৃহীত বাধ্যতামূলক সংস্কারগুলোকে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য অবরুদ্ধ করে রেখেছে); ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড/ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বৈশ্বিক আর্থিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে তাদের আর্টিকেল অব অ্যাগ্রিমেন্ট দিয়ে বাধ্যতামূলক করেছে (যেখানে ২০১০ সালে আইএমএফ কোটা ও শাসনকার্যের সংস্কারে সম্মত হয়েছিল, যা উন্নত দেশগুলোর বিলম্বিত কৌশলের কারণে এখন পর্যন্ত অবাস্তবায়িত রয়ে গেছে) এবং ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন, বৈষম্যহীনতার ওপর ভিত্তি করে বহুপাক্ষিকভাবে সম্মত বাণিজ্যবিধিসমূহের প্রাধান্য নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে (যেখানে সংস্থার অখণ্ডতা ও কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য সংস্কারসমূহ ২০১৬ সাল থেকে উন্নত দেশগুলো একপক্ষবাদ ও সুরক্ষাবাদের ক্রমবর্ধমান প্রশ্রয়ের কারণে শোষিত হচ্ছে)।

২০২২ সালের নভেম্বরে বালি সম্মেলনে ভারত যখন জি-২০-এর সভাপতিত্ব গ্রহণ করে, তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন যে, ভারতের ‘জি-২০ অগ্রাধিকারসমূহ কেবল আমাদের জি-২০ অংশীদারদের সঙ্গেই নয়, গ্লোবাল সাউথে আমাদের সহযাত্রীদের সঙ্গেও আলোচনার মাধ্যমে আকার পাবে, যাদের কণ্ঠ প্রায়ই অশ্রুত রয়ে যায়।’ ১২-১৩ জানুয়ারি ২০২৩-এ, ভারত একটি ভার্চুয়াল ‘ভয়েজ অব দ্য গ্লোবাল সাউথ ফর হিউম্যান-সেন্ট্রিক ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে। ভারতের এই উদ্যোগের গুরুত্বের একটি পরিমাপ এই সত্য থেকে অনুমান করা যেতে পারে যে, ১২৫টি দেশ এই উদ্যোগে সাড়া দিয়েছে, যাদের মধ্যে আফ্রিকা থেকে ৪৭টি, এশিয়া থেকে ৩১টি, ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে ২৯টি, ওশেনিয়া থেকে ১১টি এবং ইউরোপ থেকে সাতটি দেশ রয়েছে। ২৭ মার্চ ২০২৩-এ, জাতিসংঘে উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের ‘বহিঃদেশীয়’ প্রকৃতি এবং ‘উন্নয়নের অধিকার’-এর ওপর বিরূপ প্রভাবের কারণে একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে সমাধান গ্রহণের পক্ষে অপ্রতিরোধ্যভাবে ভোট প্রদান করে।

ভারতের প্রেসিডেন্সির অধীনে জি-২০-এর আলোচনাসমূহ দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হবে। জি-২০-এর মধ্যে, তিনটি প্রধান উন্নয়নশীল দেশ (ভারত, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা) গ্লোবাল সাউথের অগ্রাধিকারসমূহ বাস্তবায়নের জন্য ২০২৩-২০২৫ এর মধ্যে একটি তিন বছরের সময়সীমায় জি-২০-এর নেতৃত্ব প্রদান করবে। জি-২০ ছাড়াও, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর চলমান প্রক্রিয়াসমূহ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের এসডিজি শীর্ষ সম্মেলনের সঙ্গে সম্মুখে আসবে, এর পরে ২০২৪ সালে জাতিসংঘের সামিট অব দ্য ফিউচার অনুষ্ঠিত হবে। এই শীর্ষ সম্মেলনসমূহের ফলাফলস্বরূপ, জাতিসংঘের সনদ পর্যালোচনা করার উদ্দেশ্যে একটি সাধারণ সম্মেলনের আহ্বান জানানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা এপ্রিল ২০২৩-এ কার্যকরী বহুপাক্ষিকতা বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের শীর্ষস্থানীয় উপদেষ্টা বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী ২০২৫ সালে জাতিসংঘের ৮০তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের অনুরূপ হবে।

এটি একটি ‘মানবকেন্দ্রিক’ টেকসই উন্নয়নবিষয়ক দৃষ্টান্তকে একীভূত করার ক্ষেত্রে ভারতের জি-২০ প্রেসিডেন্সির জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগের প্রতিনিধিত্ব করে, যা এক পরিবার হিসেবে বিশ্বের কার্যকারিতা বজায় রাখার আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নীতির জন্য জনপ্রিয় সমর্থনকে পুনরুদ্ধার করবে।

লেখক: ভারতের পররাষ্ট্র সার্ভিসের সাবেক কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রদূত, নয়াদিল্লির বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের ফেলো